সামান্য বৃষ্টিতে জলে থইথই হয়ে যায় এলাকা। আর ভারী বৃষ্টি হলে এলাকার অনেকাংশই ডুবে যায় জলের তলায়। সহজে জল নামে না। নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশার অভিযোগ তুলে এ বার হুগলির বৈদ্যবাটীর তৃণমূল কাউন্সিলর হরিপদ পালের বাড়ি ঘেরাও স্থানীয়দের। দাবি, এলাকায় রাস্তা নেই। নিকাশির অবস্থা তথৈবচ। বার বার কাউন্সিলরকে বলেও লাভ হয়নি। স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়ে হরিপদ জানান, এক মাসের মধ্যে কাজ না-হলে পদত্যাগ করবেন। অন্য দিকে, চুঁচুড়া-মগরার পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতি তাপস চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৈদ্যবাটী পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হরিপদ। রবিবার তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হন গোলাপবাগ নিচু মাঠ এলাকার কয়েক জন বাসিন্দা। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিকাশির বেহাল অবস্থা। বাসিন্দাদের ঘরে জল ঢুকে যায়। স্থানীয় কাউন্সিলরের কাছে বার বার জানিয়েও কোনও সুরাহা মেলেনি।
বাড়ি ঘেরাও করে কাউন্সিলরের জবাবদিহি চান স্থানীয়েরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগ, সাধারণ মানুষের কথা না-ভেবে কাউন্সিলর নিজের পকেট ভর্তি করতেই ব্যস্ত ছিলেন। বিক্ষোভের মুখে পড়ে সাফাই দিতে শোনা যায় হরিপদকে। জানান, এক মাসের মধ্যে জল জমার সমস্যা মেটাবেন। সমাধান না-হলে পদত্যাগ করবেন। আশ্বাস পাওয়ার পর বিক্ষোভ ওঠে।
আরও পড়ুন:
যদিও হরিপদের দাবি, এই ধরনের বিক্ষোভ বিজেপির চক্রান্ত। তাঁর কথায়, ‘‘সাধারণ মানুষকে তাতিয়ে বিজেপি এই সব করছে। সাধারণ মানুষ জানেন, এই ওয়ার্ডে সব থেকে বেশি কাজ হয়েছে।’’ হরিপদের অভিযোগ, এক মাস হয়ে গিয়েছে। নতুন সরকার টাকা দেয়নি। তার ফলে অনেক কাজ আটকে রয়েছে।’’
অন্য দিকে, চুঁচুড়া-মগরার পঞ্চায়েতের নেতা তাপসের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বিজেপি হুগলি সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সন্দীপ সাধুখাঁর অভিযোগ, চলতি বছর ১৯ জানুয়ারি মগরার বিডিও অফিসে এসআইআরের কাজ চলাকালীন তাঁর দলের কর্মীদের মারধর করেন তাপস।