Advertisement
E-Paper

WB Municipal Elections 2022: মেয়র পদে হ্যাটট্রিক রামের

রামবাবু ফের মেয়র হওয়ায় বিরোধীরা অবশ্য আশার আলো দেখছেন না।

নিজস্ব সংবাদদাতা 

শেষ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০৯:৪২
নাতিকে কোলে নিয়ে বাড়িতে রাম চক্রবর্তী। শুক্রবার সন্ধ্যায়।

নাতিকে কোলে নিয়ে বাড়িতে রাম চক্রবর্তী। শুক্রবার সন্ধ্যায়। নিজস্ব চিত্র।

বাড়ির সকলের চোখ টিভিতে। কিন্তু তিনি কোথায়?

শুক্রবার সন্ধ্যায় কালীঘাট খেকে ফিরহাদ হাকিম যখন চন্দননগরের মেয়র হিসেবে রাম চক্রবর্তীর নাম ঘোষণা করছেন, তখন ওই বর্ষীয়ান নেতা বাড়ির একতলায়, নিজের অফিস-ঘরে। সেখানে টিভি নেই। খবর পেলেন ফোনে। ভাসলেন অভিনন্দনের বন্যায়।

চন্দননগরের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের খলিসানিতে রামবাবুর দোতলা বাড়ি। টিভি রয়েছে তাঁর দোতলার ঘরে। মেয়র হিসেবে ফের তাঁর নাম ঘোষণা হতেই বাড়িতে খুশির জোয়ার। পরিবারের সকলে নীচে নেমে এলেন। নাতিকে কোলে তুলে মিষ্টি খাইয়ে দিলেন রামবাবু।

দায়িত্ব তো বেড়ে গেল?

রামবাবু বলেন, ‘‘সকলকে নিয়ে কাজ করব। বিশেষ করে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএমের টিকিটে জেতা অভিজিৎ সেন(হাঁদা)-কেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। সব জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে নতুন বোর্ড গঠন করে চন্দননগরের ঐতিহ্যকে বজায় রাখতে প্রথম কাজ হবে সুস্থ পরিবেশে এলাকাবাসী যাতে বসবাস করতে পারেন, সে দিকে নজর দেওয়া। পুরপরিষেবা যাতে আরও ভাল করা যায় সে চেষ্টাও
করতে হবে।’’

রামবাবু টানা ছ’বারের কাউন্সিলর। ১৯৯৫ সালে প্রথমে জিতেছিলেন কংগ্রেসের টিকিটে। ২০০০ সাল থেকে জিতছেন তৃণমূলের টিকিটে। ২০০৫-এ জিতে তিনি চন্দননগর পুরসভার বিরোধী দলনেতা হন। ২০১০ সালে প্রথমবার ওই পুরসভা দখল করে তৃণমূল। মেয়র হন রামবাবু। ২০১৫-তেও একই পদে আসীন হলেও রামবাবুর নেতৃত্বে পুরবোর্ড বেশিদিন চলেনি। দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে আড়াই বছরের মধ্যে পুরবোর্ড ভেঙে যায়। দায়িত্ব পান পুর-কমিশনার। পরে অবশ্য রামবাবুকে পুরপ্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান হিসেবে ফিরিয়ে আনা হয়।

রামবাবু ফের মেয়র হওয়ায় বিরোধীরা অবশ্য আশার আলো দেখছেন না। সিপিএম নেতা গোপাল শুক্লা বলেন, ‘‘যে মেয়রের নেতৃত্বে চলা পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, তাঁকেই আবার ওই পদে বসানো হল। প্রমাণিত হল, রাজ্য সরকার সেই ছেঁড়া চটিতেই পা গলাল। যদি রামবাবুকেই মেয়র করার ছিল, তা হলে সেই সময় বোর্ড কেন ভাঙা হয়েছিল? স্থায়ী বোর্ড গঠনে চন্দননগরবাসীকে ফের অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেওয়া হল।’’

একই মত বিজেপির রাজ্যনেতা দীপাঞ্জন গুহরও। তিনি বলেন, ‘‘মানুষ যাতে পুরপরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হন সে দিকে নজর রাখা উচিত। নিজেদের আখের গোছানোর দিকে নজর না দিয়ে। চন্দননগরের উন্নয়নে কাজ করা একান্ত প্রয়োজন।’’

TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy