Advertisement
E-Paper

তপসিয়া ও কসবায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ, মামলা দায়েরের অনুমতি

বেআইনি নির্মাণ নিয়ে ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করা হবে বলে বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার পরই কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু করেছে পুরসভা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ১৩:১৪
তপসিয়ায় ভেঙে ফেলা হয়েছে অবৈধ নির্মাণ। ছবি: সংগৃহীত।

তপসিয়ায় ভেঙে ফেলা হয়েছে অবৈধ নির্মাণ। ছবি: সংগৃহীত।

কসবা, তপসিয়া এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ। চারটি বাড়ির প্রায় ১০০ জন মামলাকারী হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। মঙ্গলবার তাঁদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মামলাকারীদের বক্তব্য, একটি বাড়ি ১৯৯২ সাল থেকে রয়েছে। সেটিও ভাঙার নির্দেশ এসেছে।

বিচারপতি পার্থসারথি সেন মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। আগামী শুক্রবার শুনানির সম্ভাবনা। প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় আসার পরই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করা হবে বলে বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর নির্দেশের পরই শহর এবং শহরতলির বিভিন্ন এলাকায় বেআইনি নির্মাণ চিহ্নিত করে তা ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু করে নোটিস পাঠাচ্ছে পুরসভা। শহরের তিনটি এলাকা তিলজলা, কসবা এবং বেলেঘাটায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করেছে পুরসভা।

সূত্রের খবর, যে তিনটি অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ চলছে, প্রত্যেকটিই কোনও না কোনও স্থানীয় তৃণমূল নেতার সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। বেলেঘাটার অবৈধ নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তৃণমূল নেতা রাজু নস্কর। বাকি দুই জায়গার দুই অবৈধ নির্মাণের সঙ্গে স্থানীয় কাউন্সিলর বা বরো চেয়ারম্যানের যোগ থাকার খবরও মিলেছে। যদিও রাজু বা কাউন্সিলর কিংবা বরো চেয়ারম্যান এই বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। অভিযোগ, নির্মাণগুলির জন্য পুরসভা যে প্ল্যানে অনুমোদন দিয়েছিল, তা উপেক্ষা করে মাথা তুলতে শুরু করে বহুতলগুলি। কোথাও পাঁচতলা, কোথাও ছ’তলা বিল্ডিং তৈরি হয়েছে। আবার কোথাও দুই ব্লকে বহুতল নির্মাণের কাজও চলছিল।

এ প্রসঙ্গে পুরসভা জানায়, যা বেআইনি, তা বেআইনিই। কোনও বৈধ নির্মাণ ভাঙা হবে না। বেআইনি ভাবে তৈরি নির্মাণ ভাঙা হবে। সেই মতো গত রবিবার কলকাতার তিন জায়গায় ভাঙার কাজ শুরু হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুরসভা।

জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই তিলজলা, কসবা এবং বেলেঘাটা— এই তিন এলাকার অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করে নোটিস পাঠায় কলকাতা পুরসভা। কলকাতা পুর আইন, ১৯৮০ -র ৪০০(১) ধারায় ওই নোটিস পাঠানো হয়েছে। ওই ধারায় বলা আছে, কোনও বাড়ি বা নির্মাণের প্ল্যান-বহির্ভূত অবৈধ অংশ ভাঙার বা কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দিতে পারেন পুর কমিশনার। তবে ভাঙার আগে সংশ্লিষ্ট ওই সম্পত্তির মালিককে নোটিস পাঠাতে হবে পুরসভাকে। সেই নোটিস অনুযায়ী, পুরসভা সংশ্লিষ্ট ওই সম্পত্তি ভেঙে দেওয়ার জন্য মালিককে জানানো হয়।

Topsia kasba
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy