আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের পর এ বার এসএসকেএমে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হল। জানা গিয়েছে, হাসপাতালে চারতলায় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের বহির্বিভাগের কাছে ওই ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে শুক্রবার সকালে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম ইমরান সর্দার (২২)। তিনি চুক্তিভিত্তিক সাফাইকর্মী হিসাবে হাসপাতালে কাজ করতেন। শুক্রবার সকালে মেন ব্লকের বিপরীতে নতুন বহির্বিভাগ ভবনের চারতলায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান অন্য কর্মীরা। তারপরই পুলিশে খবর দেওয়া হয়। যুবকের মৃত্যু ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, অন্যান্য দিনের মতো শুক্রবার সকালে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের বহির্বিভাগ খুলতে গিয়েছিলেন হাসপাতালে অন্য কর্মীরা। সেই সময় চারতলার ৮ নম্বর ঘরে ইমরানের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা। আত্মহত্যা না কি খুন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
অন্য দিকে, শুক্রবার সকালেই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে লিফ্টে আটকে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। মৃতের নাম অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি দমদমের বাসিন্দা।
জানা গিয়েছে, চার বছরের পুত্র এবং স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি। অরূপের পুত্রের হাত ভেঙে যাওয়ায় তা অস্ত্রোপচারের কথা ছিল। ভোর ৫টা নাগাদ তিনি হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের লিফ্টে চেপে পাঁচতলায় যাচ্ছিলেন। স্ত্রী-পুত্র বেরিয়ে এলেও কোনও কারণে লিফ্টের ভিতর আটকে পড়েন ওই ব্যক্তি। তীব্র ঝাঁকুনির পর লিফ্ট উপরে না উঠে বেসমেন্টে নেমে আসে। বেশ কিছু সময় কেটে যাওয়ার পরে লিফ্ট খুলে ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। যান্ত্রিক গোলযোগের জেরেই এই দুর্ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে টালা থানার পুলিশ।