Advertisement
E-Paper

দেড় ঘণ্টায় চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে সেন্ট্রাল ডেয়ারির আগুন, জানা যায়নি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ

বুধবার দুপুরে বেলগাছিয়ার মিল্ক কলোনির এক বহুতলে আগুন লাগে। দ্রুত সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেল পৌনে তিনটে নাগাদ আগুন লাগে।

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৭:২১
Fire broke outs at Belgachia Milk Colony

বেলগাছিয়ার বহুতলে আগুন। — নিজস্ব চিত্র।

কলকাতার বেলগাছিয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়াল। বুধবার দুপুরে বেলগাছিয়ার মিল্ক কলোনির সেন্ট্রাল ডেয়ারিতে আগুন লাগে। দ্রুত সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেল পৌনে তিনটে নাগাদ আগুন লাগে। শেষ পাওয়া খবরে সন্ধ্যা পৌনে ৬টা নাগাদও ১২টি ইঞ্জিন রয়েছে ঘটনাস্থলে। প্রথমে চারটি ইঞ্জিন এলেও পরিস্থিতি বুঝে ইঞ্জিনের সংখ্যা বাড়ায় দমকল বাহিনী। এখনও যা পরিস্থিতি তাতে আরও ইঞ্জিন বেলগাছিয়ায় আনা হতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার বিকেল পৌনে ৪টে নাগাদ সেন্ট্রাল ডেয়ারির নতুন ভবনে আগুন লাগে। সেই সময় সেখানে কাজ চলছিল পুরোদমে। মূলত যে বহুতলে আগুন লেগেছে, সেটা সেন্ট্রাল ডেয়ারির প্রশাসনিক ভবন। কালো ধোঁয়া দেখতে পেয়ে কর্মীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। সকলেই বিল্ডিং ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

খবর দেওয়া হয় দমকলে। খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থনে রওনা দেয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। সূত্রের খবর, বিকেল চারটে নাগাদ খবর দেওয়া দমকলে। দমকল কর্মীদের ঘণ্টা দেড়েকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। শুরু হয়েছে কুলিং প্রসেস। তবে এখনও ওই ভবনের আনাচকানাচে কোথাও আগুনের ফুলকি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা।

আগুন লাগার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। কথা বলেন দমকল কর্মীদের সঙ্গেও। ওই ভবনে যাঁরা কাজ করছিলেন তাঁরাও ভিড় করেছিলেন। তাঁদের চোখেমুখে ছিল আতঙ্কের ছায়া। কর্মীদের সঙ্গেও দমকলমন্ত্রীকে কথা বলতে দেখা যায়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর সুজিত বসু জানান, ‘‘অনেক বড় আগুন লেগেছিল। তবে আমাদের লোকেরা তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজ করেছেন।’’ আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিটের কারণেই আগুন লেগে থাকতে পারে। তবে আগুন লাগার আসল কারণ জানার জন্য তদন্ত হবে বলেও জানান সুজিত।

আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। অফিস কর্মীদের কথায়, ‘‘কালো ধোঁয়া দেখে আমরা সব বেরিয়ে আসি। অনেক দরকারি ফাইল ছিল। সব জ্বলে নষ্ট হয়ে গেল। কত কী নষ্ট হল এখন বুঝতে পারছি না।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy