E-Paper

বাজারে অগ্নিকাণ্ডে বিচার শুরু হচ্ছে ১৩ বছর পরে

২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শিয়ালদহে মুচিপাড়া থানা এলাকার সূর্য সেন স্ট্রিটের বাজারে আগুন লাগে। মৃত্যু হয় ২০ জনের। মৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন দোকানের কর্মী ও শ্রমিক, যাঁরা বাজার থেকে বেরোতে পারেননি রাস্তা আটকে যাওয়ায়।

শিবাজী দে সরকার

শেষ আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:২৮

—প্রতীকী চিত্র।

শিয়ালদহের সূর্য সেন স্ট্রিটের বাজারে আগুন লাগার ঘটনায় প্রায় ১৩ বছর বাদে চার্জ গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে আগামী মাস থেকে। ৭ ফেব্রুয়ারি সেই দিন ঠিক হয়েছে। এর জন্য লালবাজারের তরফে বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বিচার ভবনের মুখ্য সরকারি কৌঁসুলি দীপঙ্কর কুণ্ডুকে। লালবাজারের আশা, এর ফলে চার্জ গঠন যেমন দ্রুত হবে, তেমনই বিচার প্রক্রিয়াও গতি পাবে।

২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শিয়ালদহে মুচিপাড়া থানা এলাকার সূর্য সেন স্ট্রিটের বাজারে আগুন লাগে। মৃত্যু হয় ২০ জনের। মৃতদের অধিকাংশই বিভিন্ন দোকানের কর্মী ও শ্রমিক, যাঁরা বাজার থেকে বেরোতে পারেননি রাস্তা আটকে যাওয়ায়। একতলাতেই সকলের মৃত্যু হয়। তদন্তে উঠে আসে, বাজারের গেটগুলি ছিল দাহ্য বস্তুতে আটকানো। সিঁড়ি-সহ বিভিন্ন জায়গা আটকে সেখানে চলত রান্না। এ ছাড়া, ওই বাজারে অনেকগুলি অবৈধ গুদামও ছিল। আগুন সেই সব গুদামে ছড়িয়ে পড়ে বিশাল আকার নেয়। সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেয়েছিল দমকল।

ওই ঘটনায় ২০১৯ সালে পুলিশ অভিযুক্ত ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধিতে অনিচ্ছাকৃত ভাবে মৃত্যু ঘটানোর পাশাপাশি দমকল আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছিল। অভিযুক্তেরা সকলেই বাজারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। চার্জশিটে পুলিশের তরফে ১০০ জনেরও বেশি সাক্ষীর কথা বলা হয়েছিল। চার্জশিটে নাম থাকা ছ’জন অভিযুক্তের অবশ্য ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

চার্জ গঠনে এত দেরি হল কেন?

সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের তরফে বিভিন্ন সময়ে তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা খারিজ করার আবেদন জানানো হয়েছিল আদালত, যার শুনানিতে সময় নষ্ট হয়েছে। মাঝে বিচারক না-থাকাতেও বিচারপর্ব পিছিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। এই মামলার বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি জানিয়েছেন, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা করা হবে। সেই সঙ্গে অভিযুক্তেরা যাতে সাজা পান, সেই আবেদনও জানানো হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Fire court case

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy