এ বারের পঁচিশে বৈশাখে ১৬৫ বছর পূর্ণ হল সেই মহামানসের আবির্ভাবের: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। জন্মদিনের মুখে রবি-অনুরাগিণী ও সাহিত্যপ্রেমী হেমন্তবালা দেবী ও রবীন্দ্রনাথের চিঠিপত্র বিনিময়, সমসাময়িক তথ্যতালাশ থেকে তৈরি হওয়া একটি নতুন শ্রুতি-অভিনয় উপহার পাচ্ছে কলকাতা, ‘টাইমস অব থিয়েটার’-এর ইউটিউব চ্যানেলে ‘হেমন্তের কবি’ শিরোনামে সঙ্গীতময় শ্রুতিনাট্য, মুখ্য কুশীলব সুরঞ্জনা দাশগুপ্ত ও প্রবীর ব্রহ্মচারী। অন্য দিকে, দেবাশিস রায়চৌধুরীর নির্দেশনায় রবীন্দ্রনাথের নাটক বিসর্জন তো মঞ্চে আগেই দেখেছে কলকাতা, পঁচিশে বৈশাখে ‘ভাবনা’ তার ডিজিটাল সংরক্ষিত রূপটি প্রকাশ করছে ইউটিউবে।
সারা কবিপক্ষ জুড়েই শহর কলকাতায় রবীন্দ্রজয়ন্তীর অনুষ্ঠান অগণন। উত্তর থেকে দক্ষিণ কি পুবে-পশ্চিমে— রবীন্দ্র-অনুরাগীরা যে যেখানে আছেন, খুঁজে নেওয়ার পালা শুধু। আজ প্রত্যুষে ‘হে নূতন’ গানে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির ঘুম ভাঙবে যথাবিহিত রেওয়াজ মেনেই, আয়োজনে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। তারও আগে, ভোর সাড়ে ৫টায় হাওড়া শরৎ সদনের মাঠে ‘হাওড়া কালচারাল কয়্যার’-এর আয়োজনে শুরু রবীন্দ্রজয়ন্তী। রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে ‘কলকাতা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি’ (কেসিসি)-র বিশেষ আয়োজন, ‘তোমার পরশ আসে: ইন্টারপ্রেটিং টেগোর’— কথোপকথন সঙ্গীত নৃত্য কবিতাপাঠে তাঁর সৃষ্টির বহুমাত্রিকতার উদ্যাপন। গতকাল হয়ে গেছে পাঠভবন হাই স্কুলের নিবেদন ‘বসন্ত নবারুণ রাগে’, ধীমান ভট্টাচার্যের উপস্থাপনায় রবীন্দ্রসৃষ্টি ও সঙ্গীতে বিশ্ববোধ ‘পরাশান্তি’, ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারফরমেন্স পোয়েট্রি ‘শিশুতীর্থ’। আজ বিকেল ৫টা থেকেও নানা অনুষ্ঠান; সন্ধে সাড়ে ৬টায় বিম্ববতী দেবী অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায় ও উপালী চট্টোপাধ্যায়ের পরিবেশনায় নাট্য ও নৃত্য-আঙ্গিকে রক্তকরবী।
আজ নজরুল মঞ্চে সকাল থেকে ‘নব নালন্দার রবীন্দ্রস্মরণ’, এ শহরের বড় প্রিয় অনুষ্ঠান। দুপুর ৩টেয় সল্টলেকের রবীন্দ্র-ওকাকুরা ভবনে ‘পূরবী’র নিবেদনে কবিপ্রণাম, অর্ধশতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণে; সন্ধে সাড়ে ৬টায় ‘দক্ষিণী’র রবীন্দ্রজন্মোৎসব ও কবিপ্রণাম, দক্ষিণী ভবনের সেবা মিত্র হল-এ। সন্ধ্যা ৬টায় রিজেন্ট পার্কের ‘শ্রীঅরবিন্দ ইনস্টিটিউট অব কালচার’-এর শ্রদ্ধাঞ্জলি। সকাল ও সন্ধ্যায় কলকাতা ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট, ইজ়েডসিসি, ‘গীতবিতান’, যৌথ ভাবে ‘সাঁঝবাতি’ ও ‘পরজ’, ‘রবীন্দ্রলোক’, ‘শ্রীনন্দনা’ প্রভৃতি সঙ্গীত-সংস্কৃতিচর্চা প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান। গত ২ মে রবীন্দ্র-ওকাকুরা মঞ্চে ছিল ‘মঞ্জিস’-এর অঞ্জলি, আগামী ১১ মে সোমবার সন্ধ্যায় সেখানেই ‘রবিকিরণ’-এর অর্ঘ্য। গিরিশ মঞ্চে ‘ছন্দসী’-র কবিপ্রণাম আজ সন্ধ্যায়, এ ছাড়াও আজ ও কাল ‘মধ্য কলকাতা সাংস্কৃতিক অঙ্গন’, ‘পুনশ্চ’, ‘অনুভব পর্ণশ্রী সাংস্কৃতিক সংস্থা’, ‘বেহালা ঠাকুরপুকুর ক্লাব সমন্বয় সমিতি’ আয়োজন করেছে কবিপ্রণামের বিচিত্রানুষ্ঠান: যথাক্রমে ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া সংলগ্ন রামকানাই অধিকারী লেন, রথীন্দ্র মঞ্চ, পর্ণশ্রী থানার পাশে ও বেহালা শরৎ সদনে। কালীঘাট পার্কে রবীন্দ্রচর্চা ভবনে চলছে রবীন্দ্রগ্রন্থ প্রদর্শনী, আগামী ১০ মে পর্যন্ত। এ-তালিকা ফুরানোর নয়, কবিমানসের প্রতি সমবেত মুগ্ধতার মতোই অনিঃশেষ। ছবিতে পঁচিশে বৈশাখের জোড়াসাঁকো— কুড়ি বছর আগের তোলা আলোকচিত্রে।
নতুন এক
এমন জায়গা কি ভাবা যেতে পারে, একাধারে যা ঐতিহ্য-ধারক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং ক্যাফে? ১১ মে পথ চলা শুরু হচ্ছে ‘লেজেন্ড অ্যান্ড লেগ্যাসি’র— শিল্পী পঙ্কজ মল্লিকের (ছবি) হাজরা রোড সংলগ্ন বালিগঞ্জের বাসভবনের একটি অংশে। ১০ মে তাঁর জন্মদিন, তার পরদিনই আত্মপ্রকাশ এই অভিনব পরিসরটির। আর্ট ডেকো শৈলীর ভবনটি কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও উজ্জ্বল নিদর্শন। পঙ্কজ মল্লিকের দৌহিত্র রাজীব গুপ্ত ও দৌহিত্রবধূ ঝিনুক গুপ্ত ২০০৫-এ প্রতিষ্ঠা করেন ‘পঙ্কজ মল্লিক মিউজ়িক অ্যান্ড আর্ট ফাউন্ডেশন’, সেই পথেই এই নব উদ্যোগ। এখানে দেখা যাবে শিল্পীর ব্যবহৃত অর্গান, তানপুরা, রেকর্ড ও সিনেমার বুকলেটের কভার, ছবিতে বেতার-অনুষ্ঠান রেকর্ডিংয়ের মুহূর্ত, বিশিষ্টজনের সঙ্গে শিল্পীর ছবি, তাঁর সম্পর্কে লেখা, ডাকবিভাগ প্রকাশিত ডাকটিকিট। থাকছে গান শোনার ব্যবস্থাও। ক্যাফের মেনুতে থাকবে পঙ্কজ মল্লিকের প্রিয় খাবারের একটি আলাদা বিভাগও। নানা অনুষ্ঠানও হবে নিয়মিত, জানাচ্ছেন উদ্যোক্তারা।
আঠারো পেরিয়ে
উনিশে পা। পয়লা বৈশাখে আঠারো বছর পেরিয়ে এল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি রেডিয়ো, ‘রেডিয়ো জে ইউ’। গত ১৮ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিতা ব্যানার্জি মেমোরিয়াল হল-এ অনুষ্ঠানে ফিরে দেখা হল এই বেতারকেন্দ্রের কর্মকাণ্ড, গৌরবময় যাত্রাপথ। ছিলেন নানা বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, গবেষক, ছাত্রছাত্রী, রেডিয়োর সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্টজন। সমাজকল্যাণমূলক নানা প্রকল্পের অংশীদার এই বেতারকেন্দ্র: কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে হয় ‘ম্যাটিক্স কৃষি পাঠশালা’, ইংল্যান্ডের স্যালফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ‘জিনের আলোয় দেখেছিলেম’, শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান ‘সহজ পাঠ’। শিক্ষা স্বাস্থ্য কৃষি বিজ্ঞান শিল্প সংস্কৃতি, বাদ নেই কিছুই। এ দিন ছিল সাংস্কৃতিক উপস্থাপনাও।
সমারোহে
এগারো বছরে পা রাখল জীবনস্মৃতি আর্কাইভ। প্রতি বছর ৮ মে জন্মদিনে বৃক্ষরোপণের যে রেওয়াজ, তা এ বছর নতুন অঙ্গনে: সল্টলেকে ‘অন্য থিয়েটার ভবন’-এ হল গতকাল, বিভাস চক্রবর্তী-সহ বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে। ‘জীবনস্মৃতি আর্কাইভ’ ও ‘অন্য থিয়েটার’-এর উদ্যোগে, দশমিক পত্রিকার সহযোগিতায় এখানেই ৮-১০ মে ‘ছোট পত্রিকার বড় মেলা’, দুষ্প্রাপ্য পত্রপত্রিকা ও এই সময়ের উল্লেখযোগ্য লিটল ম্যাগাজ়িন নিয়ে। আজ ও আগামী কাল চলবে দুপুর ২টো-রাত ৮টা। রয়েছে দু’টি সাক্ষীচিত্রের প্রদর্শন: আজ বিকেল ৫টায় অরিন্দম সাহা সরদার পরিচালিত সুব্রত মিত্র, রবিবার একই সময়ে সরোদসাধক যতীন ভট্টাচার্যকে নিয়ে ছবি যদি সত্যি কথা বলো। সঙ্গে শিল্পী হিরণ মিত্রের চিত্রপ্রদর্শনীও।
৭৫ বছরে
শুরুটা ১৯৪৯-এ। চেতলা হাই স্কুলে জেলা স্কাউটস সমাবেশে ছোটরা পরিবেশন করেছিল ছড়া। তা থেকেই একটি শিশু থিয়েটার দল তৈরির ভাবনা, তৈরি হয় ‘রিদমস অ্যান্ড রাইমস’। ১৯৫২-র ১১ মে নিউ এম্পায়ার মঞ্চে হল এক প্রদর্শনী। আগেই সত্যজিৎ রায় এঁকে দিয়েছিলেন সাদা-কালো জোড়া মুখোশের স্কেচ, পরে তা হয়ে ওঠে প্রতিষ্ঠান-প্রতীক। সে বছর ৭ জুলাই নাম হয় চিলড্রেন’স লিটল থিয়েটার বা ‘সিএলটি’, পরে ঢাকুরিয়ায় হয়েছে নিজস্ব ঠিকানা ‘অবন মহল’। ছড়া গান নাচ অঙ্কন খেলা নাটকের চর্চায় ঋদ্ধ এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রবিশঙ্কর, তিমিরবরণ; প্রথম ব্যাচের ছাত্রী শর্মিলা ঠাকুর। গতকাল সন্ধ্যায় হয়ে গেল ৭৫তম প্রতিষ্ঠাদিবসের অনুষ্ঠান; বর্ষব্যাপী হবে উদ্যাপন।
ত্রিশ পূর্তি
প্রতারণা, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় রচিত নাটক। নামেই লুকোনো নীতি-দ্বন্দ্বের শিল্পিত আভাস। পৌলমী চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশনায় ১৫ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়, ‘মুখোমুখি’র নতুন প্রযোজনা। এদের সঙ্গে দীর্ঘকাল জড়িত ছিলেন সৌমিত্রবাবু; দলের তরফে বিলু দত্ত জানালেন, “ত্রিশ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় স্মরণে।” ১৩-১৭ মে অ্যাকাডেমিতে প্রথম পার্থ, বিটিশবাবু, ফেরারী ফৌজ, আ-শক্তি, মারীচ সংবাদ, যে জানলাগুলোর আকাশ ছিল, টিনের তলোয়ার, বসন্তের বজ্রনির্ঘোষ। উদ্বোধক অরুণ মুখোপাধ্যায়; সম্মানিত হবেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় শমীক বন্দ্যোপাধ্যায় গৌতম ঘোষ লিলি চক্রবর্তী দেবশঙ্কর হালদার তনুশ্রীশঙ্কর শ্রীকান্ত আচার্য সমীর আইচ প্রমুখ গুণিজন।
সাঁওতালি কথা
সাঁওতাল জনজাতির জীবন, প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের এক দর্শন। তারই প্রতিফলন তাঁদের প্রাত্যহিক কাজে, খাদ্যাভ্যাসে, অরণ্যের গাছগাছড়া থেকে পাওয়া ভেষজ চিকিৎসার জ্ঞানে। এই জীবনধারা এক বিকল্প, সুস্থায়ী জীবনের অনন্য উদাহরণ: মাটির দেওয়ালে ভিত্তিচিত্র (ছবি), ‘সোহরাই’ শিল্পের ছোঁয়া থেকে ধামসা-মাদলের ছন্দে নাচ-গানে মূর্ত প্রাণশক্তি, সাঁওতালি সাজ-বেশ এই আদি সাংস্কৃতিক শিকড় চেনায়। সাঁওতাল নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস, শিল্পের মাধুর্য ও জীবনবোধকেই সামনে নিয়ে এসেছে কলকাতা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি (কেসিসি), ‘সাঁওতালি কথা: সাঁওতালি আর্ট, কালচার অ্যান্ড নলেজ সিস্টেমস’ অনুষ্ঠানে। প্রদর্শনী আলোচনা নাচ গান নাটক কর্মশালায় সাজানো অনুষ্ঠানমালা: শুরু হয়েছে গত ৩০ এপ্রিল, চলবে ১০ মে পর্যন্ত। ছিলেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় মল্লিকা সারাভাই জহর সরকার প্রমুখ, কাল রবিবার বিকেল ৪টেয় শুভময় রায় বলবেন ‘১৮৫৫-র হুল ও বাঙালি ভদ্রসমাজ’ নিয়ে।
পারম্পরিক
গৌড়ীয় বৈষ্ণব পরিবারে বেড়ে ওঠা, ছোট থেকেই সাহিত্যে অনুরাগ। আশুতোষ কলেজে পড়ার সময় বামপন্থায় আকৃষ্ট হন প্রণয় গোস্বামী, স্বাধীনতা পত্রিকার নতুন রোটারি মু্দ্রণযন্ত্র কেনার তহবিলে দিয়েছিলেন গোটা মাসের বেতন। স্নেহধন্য ছিলেন তারাশঙ্কর দীপ্তেন্দ্রকুমার সান্যাল প্রমুখের। পরে বদলায় সাহিত্যচর্চার দিক, লিখেছেন সহজ সরল গদ্যে গীতা, গদ্য-অনুবাদে গীতগোবিন্দ-সহ বহু গ্রন্থ। ২০০৭-এ প্রয়াত এই সাহিত্যসেবীর জন্মশতবর্ষের সূচনা এ বছর। হাজরা রোডে ‘গোস্বামী ধাম’-এর বর্তমান প্রজন্ম আজও তাঁর পরম্পরার বাহক, শিল্প ইতিহাস দর্শনে কৃতীদের দিয়ে আসছেন ‘প্রণয় সম্মান’। নববর্ষে বাংলা ক্যালেন্ডারও করেছেন ওঁরা, পাতায় পাতায় বাড়ির জনার্দনদেব জিউ, গোপালসুন্দর, নিতাইচাঁদ-গৌরসুন্দরের (ছবি) ছবিতে সাজানো।
ফরাসি ডাকঘর
রবীন্দ্রনাথকে পাশ্চাত্যের বিদগ্ধমহলে স্থান করে দিয়েছিল গীতাঞ্জলি। তাঁর ডাকঘর নাটকও সমাদৃত হয় ইউরোপের বহু দেশে। খাঁচায় বন্দি আমরা সকলেই অমলের মতো বেরিয়ে পড়তে চাই দেশ থেকে দেশান্তরে। গত শতাব্দীর প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝে রবীন্দ্রনাথের ডাকঘর ফ্রান্সে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল, নাটকটি অভিনীত হয়েছিল সে দেশের হাসপাতাল-সহ বিভিন্ন জনপরিসরে। প্রথম ফরাসি অনুবাদটি করেছিলেন আন্দ্রে জিদ; প্রায় এক শতক পরে রবীন্দ্র-গবেষক ফ্যাবিয়াঁ শার্তিয়ে বিশ্বভারতীর ছাত্রছাত্রীদের সহায়তায় একটি নতুন ফরাসি অনুবাদ উপহার দিয়েছেন। সঙ্গে ছবি এঁকেছেন সুব্রত ঘোষ। বাংলায় ও ফরাসিতে ‘সম্পর্ক’ প্রকাশিত প্রথম চিত্রায়িত ডাকঘর/ইলুস্ত্রে অমল-এর প্রকাশ উপলক্ষে, পার্ক স্ট্রিটের আলিয়ঁস ফ্রসেঁজ়-এ গত ৭ মে হয়ে গেল আলোচনা— ফরাসি কনসাল জেনারেল তিয়েরি মোরেল, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ়-এর অধিকর্তা মার্ক ব্যুদা-র উপস্থিতিতে অনুবাদক-প্রকাশকের প্রাসঙ্গিক কথালাপ।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)