কয়েক সপ্তাহ ধরে আবাসনের একটি ব্লকে একের পর একবাসিন্দা অসুস্থ হচ্ছিলেন। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি বলেঅভিযোগ। অথচ সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশ হতেই নড়াচড়া শুরু হল প্রশাসনের।
সোমবার রাতেই পরিদর্শন হয়েছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে আবাসনে পানীয়জলের ট্যাঙ্কার পৌঁছল। করা হল দু’টি স্বাস্থ্য শিবির। সেখানে চিকিৎসকেরা অসুস্থদের পরীক্ষা করার কাজ শুরু করলেন। এ ছাড়াও, জলের নমুনা সংগ্রহ করা, ব্লিচিং ছড়ানো, ট্যাঙ্ক সাফাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। এলাকা পরিদর্শন করেবাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করলেন স্থানীয় বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়।
এ দিন নিউ টাউনের সাপুরজি আবাসনের ‘ই’ ব্লকেরছবিটা ছিল এমনই। এ দিনের স্বাস্থ্য শিবিরে মূলত পেটের গোলমাল, গা-হাত-পায়ে ব্যথা, খাবারে অনীহার মতো উপসর্গ নিয়ে এসেছিলেন বিভিন্ন বয়সের একাধিক বাসিন্দা।এনকেডিএ সূত্রের খবর, বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যের বিষয়টিতে নজর রাখা হচ্ছে। কারও সমস্যা গুরুতর বুঝলে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে। তবে বিষয়টি বেশ কিছু দিন আগে জানানো সত্ত্বেও প্রশাসন তখনই ব্যবস্থা নেয়নি কেন, সেই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য মেলেনি।
এনকেডিএ সূত্রের খবর, জলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। জলদূষিত হয়ে থাকলে তার উৎস কোথায়, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আবাসনের বাসিন্দাদের অভিযোগ, জলের ওভারহেড ট্যাঙ্ক, ভূগর্ভস্থজলাধার দীর্ঘদিন যাবৎ পরিষ্কার করা হয়নি। তার জেরেই এই সমস্যা বলে তাঁদের অনুমান। তাঁদের একাংশের কথায়, কেষ্টপুর খালের জলকোনও ভাবে আবাসনের সরবরাহ করা জলের সঙ্গেমিশেছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)