রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ‘বিজেপির দালাল’ বলে আক্রমণ করলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। দুর্নীতিতে রাজ্যপাল প্রচ্ছন্ন ভাবে মদত দিচ্ছেন বলে শুক্রবার অভিযোগ তুলেছেন কুণাল।
কুণাল বলেন, “সারদা মামলায় সিবিআইয়ের এফআইআরে শুভেন্দু অধিকারীর নাম রয়েছে। সারদা মামলায় অভিযুক্ত শুভেন্দু অধিকারীকে যিনি রাজনৈতিক ভাবে মদত দেন, সেই জগদীপ ধনখড়কে আমি ব্যক্তিগত ভাবে দুর্নীতিতে প্রচ্ছন্ন মদত দেওয়ার অভিযোগ আনছি।” এর পরই কুণালের মন্তব্য, “বিজেপির দালালি করছেন বলে রাজ্যপাল এই ধরনের অসঙ্গত কথা বলছেন।”
কুণালের অভিযোগ, সিবিআই থেকে বাঁচতে শুভেন্দু বিজেপিতে গিয়েছেন। সারদা কর্ণধার সুদীপ্ত সেনের চিঠিতে শুভেন্দুর নাম রয়েছে। শুভেন্দুকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না? এর পরই তাঁর কটাক্ষ, বিজেপির কোলে বসে দোল খাচ্ছেন চোর শুভেন্দু। সিবিআই কাঁথিতে গিয়ে সব তদন্ত করে দেখুক। কুণালের অভিযোগ, সারদা কর্তাকে ব্ল্যাকমেল করে টাকা নিয়েছেন শুভেন্দু। এর পরই তিনি বলেন, “নারদ-কাণ্ডে বিজেপির সাংবাদিক বৈঠকে দেখানো ফুটেজ দেখার পর যদি সিবিআই তদন্ত করতে পারে, তা হলে এ ক্ষেত্রে তদন্ত করবে না কেন?”
আরও পড়ুন:
এর পরই শুভেন্দুকে নিয়ে রাজ্যপালকে আক্রমণ করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, সিবিআইয়ের এফআইআরে শুভেন্দুর নাম থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁকে মদত দিচ্ছেন রাজ্যপাল? কোন স্বার্থে তাঁকে সুরক্ষা দিচ্ছেন? তার তদন্ত হওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন কুণাল।
তিনি বলেন, “রাজ্যপাল পদকে সম্মান করি। এটি গর্বের পদ, গরিমার পদ। কিন্তু এই বিজেপির দালাল জগদীপ ধনখড় কিসের স্বার্থে শুভেন্দুকে মদত দিচ্ছেন, তারও তদন্ত হওয়া উচিত।” রাজ্যপালের কাছে সুদীপ্ত সেনের চিঠির সার্টিফয়েড কপি পাঠাবেন বলেও জানিয়েছেন কুণাল। এর পরই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সেই চিঠিগুলি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিন রাজ্যপাল। গ্রেফতার করে দেখাক শুভেন্দুকে।”