গুলি কাণ্ডে এখনও কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। তবে ঘটনার তদন্ত অনেক দূর এগিয়েছে বলে পুলিশের দাবি।
জেলা পুলিশের এক সূত্রে খবর, ঘটনায় আটক তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিন জনই খড়্গপুরের বাসিন্দা। দু’জনকে শহর থেকেই আটক করে পুলিশ। একজনকে অন্য জায়গা থেকে ধরে আনা হয়। ঘটনার পিছনে বড় কোনও দুষ্টচক্র রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে এদিন পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষ কিছু বলেননি। তবে জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, “খড়্গপুর শহরের ওই ঘটনার কিনারা প্রায় হয়েই গিয়েছে। সামান্য কিছু ধোঁয়াশা রয়েছে। তাই কাটানোর চেষ্টা চলছে।” তিনি মানছেন, “ঘটনায় এ দিন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।”
তবে তদন্তে সুবিধার জন্য শনিবার আইসি স্থানীয়দের দেখানোর জন্য কয়েকজন দুষ্কৃতীর ছবি পুরপ্রধানকে দিয়েছিলেন, তাতে কোনও সুফল মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। খড়্গপুরের পুরপ্রধান প্রদীপ সরকার বলেন, “ছবিগুলি ওই এলাকার বাসিন্দাদের দেখলেও কেউ দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করতে পারেনি। আমার আশা, দ্রুত পুলিশ দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করবে।”
গত শুক্রবার রাতে খড়্গপুরের মালঞ্চর টাটা ব্যাঙ্কের সামনে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সোনার দোকান বন্ধ করে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন স্বর্ণ ব্যবসায়ী উত্তম দাসের। দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে জখম হন এক কাঠ মিস্ত্রি সুনীল শর্মাও। গুলিবিদ্ধ সুনীলকে খড়্গপুর রেল হাসপাতালে ও উত্তমকে খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।