দুই নাবালিকা পড়ুয়ার বিয়ে দেওয়ার তোরজোড় করছিল পরিজনেরা। এক সপ্তাহ ধরে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয় তারা। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ার ওই দুই নাবালিকার বাড়িতে যান নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের বিডিও অমর্ত্য চক্রবর্তী, যুগ্ম বিডিও ধীমান মিত্র, সোনাচূড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কালীকৃষ্ণ প্রধান-সহ ব্লক প্রশাসনের কর্তারা। ওই দুই কিশোরীর পরিজনেদের উপযুক্ত বয়সের আগে মেয়েদের বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দেন তাঁরা। বিডিও অমর্ত্য চক্রবর্তী বলেন, ‘‘১৩ ও ১৫ বছরের ওই দুই কিশোরীর একজন অষ্টম ও অন্যজন নবম শ্রেণির ছাত্রী। গত এক সপ্তাহ ধরে তারা স্কুলেও যায়নি। দু’জনের বাড়ি গিয়েই তাদের পরিজনেদের সঙ্গে কথা বলি। তাঁরা উপযুক্ত বয়সের আগে মেয়েদের বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন।’’ তিনি আরও জানান, ওই দুই ছাত্রীর মধ্যে একজন কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতায় ছিল না। এ দিন তাকে কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। ওই দুই ছাত্রী যাতে নিয়মিত স্কুল যায় সে বিষয়টি দেখার জন্য স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে বলেছি।