Advertisement
E-Paper

ভিড় রাস্তায় গুলি করে ব্যাঙ্কের টাকা ছিনতাই

সকাল সাড়ে ১০টার তুমুল ব্যস্ততা। তারই মধ্যে মোটর বাইক চালিয়ে এল জনা ছয়েক দুষ্কৃতী। এটিএমে টাকা পৌঁছে দিতে যাওয়া একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের গাড়ি তাদের লক্ষ্য। প্রস্তুিতর অভাব ছিল না। তাই মোটর বাইক থেকে নেমেই এক দুষ্কৃতী সরাসরি চেপে ধরল চালককে। হাতে পিস্তল। পাশেই ছিলেন নিরাপত্তারক্ষী। কিন্তু তিনি তাঁর বন্দুক তোলার সময়ই পেলেন না।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০১৫ ০১:০৪

সকাল সাড়ে ১০টার তুমুল ব্যস্ততা। তারই মধ্যে মোটর বাইক চালিয়ে এল জনা ছয়েক দুষ্কৃতী। এটিএমে টাকা পৌঁছে দিতে যাওয়া একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের গাড়ি তাদের লক্ষ্য।

প্রস্তুিতর অভাব ছিল না। তাই মোটর বাইক থেকে নেমেই এক দুষ্কৃতী সরাসরি চেপে ধরল চালককে। হাতে পিস্তল। পাশেই ছিলেন নিরাপত্তারক্ষী। কিন্তু তিনি তাঁর বন্দুক তোলার সময়ই পেলেন না। বরং নিমেষের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হলেন দুষ্কৃতীদের হাতে।

খড়্গপুরের মালঞ্চ রাখাজঙ্গলের নন্দেশ্বর মন্দিরের কাছে এই ঘটনায় হতচকিত বাসিন্দারা। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ লুঠ হয়েছে ১৬ লক্ষ টাকা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে খড়্গপুরের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের মালঞ্চ শাখার কর্মীরা গাড়িতে টাকা তুলে রওনা দিয়েছিলেন বেলদার একটি এটিএমের দিকে। মালঞ্চ থেকে সাহাচক হয়ে ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে যাওয়ার পথে যাত্রী বোঝাই অটো, স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের ভিড় ঠেলে দু’টি মোটর বাইকে করে জনা ছয়েক দুষ্কৃতী চড়াও হয় গাড়ির উপর। একজন দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে গাড়ির চালক দীপক দাসকে। অন্যদিকে নিরাপত্তারক্ষী ভুবন মাহাতোর দিকেও পিস্তল তুলে টাকা বের করে দেওয়ার হুমকি দেয় অন্যরা। টাকা দিতে না চাওয়ায়, সত্যিই গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা।

আহত হন চালক ও নিরাপত্তারক্ষী। দীপকবাবুর ডান হাতে গুলি লাগে। অন্যদিকে ভুবনবাবুর বুকের ডানদিকে গুলি লেগেছে। এরপর কার্যত বিনা বাধায় ১৬ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। পরে এলাকার বাসিন্দাদের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ এসে আহত দু’জনকে উদ্ধার করে। তাঁদের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছে।

ভুবন মাহাতো জানিয়েছেন, টাকা ভর্তি ট্রাঙ্কটি নিয়ে মোটর বাইকে চড়েই জাতীয় সড়কের দিকে রওনা দেয় দুষ্কৃতী দলটি।

দিনে দুপুরে এমন ডাকাতির ঘটনায় স্তম্ভিত এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় গোবিন্দনাথ দে বলেন, ‘‘এ রকম ঘটনা এলাকাতে এই প্রথম। এমনটা যে হতে পারে ভাবতেই পারিনি।’’ ঘটনাস্থলের কাছেই শ্যামলি দে-র বাড়ি। তিনি জানান, ‘‘সকাল বেলা ঘরের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনে বেরিয়ে এসে দেখি, গাড়ির মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় বসে আছেন দু’জন। একটু আগেই আমাদের বাড়ির সকলে ওই রাস্তা দিয়েই কাজে গিয়েছেন। ভাবতেই তো ভয় করে।’’

এ দিকে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে। ব্যাঙ্কের নিরাপত্তারক্ষী তাঁর বন্দুক তোলার সুযোগই পেলেন না। তা হলে কী ভাবে হয় ব্যাঙ্কের কাজ, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। এ দিকে খড়্গপুরে এসডিপিও সন্তোষ মণ্ডল জানান, সবদিক খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু হয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy