Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

উন্নয়নের নামে সাধারণ মানুষকে ভাঁওতা দিয়েছে কংগ্রেস। কান্দিতে পুরভোটের প্রচারে এসে তেমনিই দাবি করলেন প্রদেশ যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সৌমিক হোসেন। তিনি বলেন, ‘‘কান্দিতে গঙ্গাজলের প্রকল্প, বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য মাস্টারপ্ল্যানের নামে কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী শুধু কান্দির মানুষকে ভাঁওতা দিয়েছেন।’’

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৫ ০০:১১

অধীরকে কটাক্ষ তৃণমূলের

নিজস্ব সংবাদদাতা • কান্দি

উন্নয়নের নামে সাধারণ মানুষকে ভাঁওতা দিয়েছে কংগ্রেস। কান্দিতে পুরভোটের প্রচারে এসে তেমনিই দাবি করলেন প্রদেশ যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সৌমিক হোসেন। তিনি বলেন, ‘‘কান্দিতে গঙ্গাজলের প্রকল্প, বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য মাস্টারপ্ল্যানের নামে কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী শুধু কান্দির মানুষকে ভাঁওতা দিয়েছেন।’’ তাঁর কথায়, ‘‘প্রতিবারই অধীর চৌধুরীরা কান্দির বাসিন্দাদের সঙ্গে সারা জেলার মানুষের কাছে অপপ্রচার করে ভোট নিয়েছে।’’ তাঁর দাবি, “কান্দির বাসিন্দা একবার তৃণমূলের হাতে পুরসভা পরিচালনা করার সুযোগ দিয়ে দেখুক। পাঁচ বছরে যদি কান্দিকে সাজিয়ে দিতে না পারি আর কোনও দিন ভোট চাইতে আসব না।’’ এ দিনের এই সভায় তৃণমূলের জেলা কার্যকরী সভাপতি উজ্বল মণ্ডল বলেন, ‘‘কান্দি পুরসভা দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের দখলে রয়েছে। অথচ এখনও পর্যন্ত শহরের সব রাস্তা পাকা করতে পারেনি। মানুষের কাছে পাকা ঘর করে দেওয়ার নাম করে টাকা তুলে নিজেরা লুটেপুটে নিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “অধীরবাবুরা বলেন, রাজ্য সরকার কান্দি পুরসভায় কোনও টাকা দেয়না। রাজ্য টাকা না দিলে উন্নয়ন হচ্ছে কোথা থেকে ? মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ফের পুরভোটের বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা করছে কংগ্রেস।’’ অভিযোগ অস্বীকার করে কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র অশোক দাস বলেন, ‘‘হাস্যকর মন্তব্য। সৌমিককে কাঠের পুতুলের মতো ব্যবহার করছে তৃণমূল। তাই যা বলতে বলা হয়েছে তাই আওড়াচ্ছে সৌমিক।’’

পোস্টার ছেঁড়ার নালিশ

নিজস্ব সংবাদদাতা • বেলডাঙা

কয়েক দিন ধরে মুর্শিদাবাদের কয়েকটি পুরসভা এলাকায় বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকরা রাতের অন্ধকারে বিজেপির প্রার্থীদের পোস্টার ও ফ্লেক্স ছিঁড়ে দিচ্ছে। এমনিই অভিযোগ আনল বিজেপি। শুধু তাই নয়, ফোনে বা সরাসরি প্রার্থীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ। তাই থানায় কংগ্রেস, তৃণমূল ও সিপিমের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘‘সুস্থ ভাবে নিবাচর্নে বাধা দিতে বিরোধীরা এই ধরনের কাজ করছে। বিষয়টি আমরা পুলিশকে লিখিত জানিয়েছি। আশা করছি পুলিশ দ্রুত তা তদন্ত করে দেখবে।’’ যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তিন দলই। তৃণমূলের জেলা কার্যকরী সভাপতি উজ্জ্বল মণ্ডল বলেন, ‘‘অভিযোগ ভিত্তিহীন। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’’ কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র অশোক দাস বলেন, ‘‘জেলায় বিজেপির শক্তি খুবই কম। বাড়তি প্রচার পাওয়ার জন্য এভাবে মিথ্যে অভিযোগ আনছে।’’ সিপিএমের জেলা সম্পাদক মৃগাঙ্ক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘অভিযোগ মিথ্যা। আমাদের দলের কেউ ওই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নন।’’

বধূ খুন

নিজস্ব সংবাদদাতা • রঘুনাথগঞ্জ

শ্বশুরকে বাঁচাতে গিয়ে লাঠির ঘায়ে খুন হলেন তাঞ্জিলা বিবি (২৬) নামে এক গৃহবধূ। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে ফরাক্কার ঘোড়াইপাড়া গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেশি আব্বাস শেখের সঙ্গে তাঞ্জিলার শ্বশুর হোসেন শেখের বচসা বাঁধে। বচসার সময় লাঠি নিয়ে হোসেনের মাথায় আঘাত করতে উদ্যত হয় আব্বাস। তা দেখে শ্বশুরকে বাঁচাতে যান তাঞ্জিলা। লাঠির ঘায়ে জখম হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে প্রথমে ফরাক্কার বেনিয়াগ্রাম স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পর দিন ভোরে সেখানেই মারা যান তিনি। ওই ঘটনায় ফরাক্কা থানায় আব্বাস শেখের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেন মৃতার পরিবারের লোকজন। তবে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আব্বাস পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

ছেলেধরা সন্দেহে মহিলাকে মারধর

নিজস্ব সংবাদদাতা • হরিহরপাড়া

ছেলেধরা সন্দেহে এক হিন্দিভাষী মহিলাকে মারধর করল গ্রামবাসী। বুধবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে হরিহরপাড়ার রমনা মণ্ডলপাড়ায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন দুপুরে ওই মহিলাকে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। মহিলাকে ঘিরে ধরেন তাঁরা। খোঁজাখুঁজি করতে তাঁর কাছ থেকে একটি বোতল মেলে। খুলে দেখা যায় তাতে দুর্গন্ধযুক্ত তরল পদার্থ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয় ওই তরল পদার্থ খাইয়ে বা শুঁকিয়ে বাচ্চা ছেলেদের কাবু করেন তিনি। সন্দেহ গড়ায় জনরোষে। শুরু হয় মারধর। এ দিকে, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। ওই মহিলাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, ওই মহিলা মানসিক ভরসাম্যহীন। তিনি কোথা থেকে এসেছেন তা এখনও জানা যায়নি। তাঁর পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy