Advertisement
E-Paper

মনিরুলের বিরুদ্ধে এফআইআর! ভাঙচুরে অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক বললেন, জেলে যেতে হলে যাব

নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য মনিরুলের নামে থানায় অভিযোগ জানানো হয়নি। বদলে শুক্রবার প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৪
Manirul Islam

তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। —ফাইল চিত্র।

মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বিডিও অফিসে তাণ্ডব এবং এসআইআরের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল বিধায়ক বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর।

নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য মনিরুলের নামে থানায় অভিযোগ জানানো হয়নি। বদলে শুক্রবার প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। ঘটনাক্রমে শনিবার জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে মনিরুলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পদ্মশিবিরের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধি হয়ে মনিরুল কেবল সরকারি কাজে বাধাদানই করেননি, তিনি গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত ও ব্যাহত করার চেষ্টা করেছেন। অন্য দিকে, শুক্রবার এসআইআরের কাজের দায়িত্বে থাকা ইআরও-কে পাঠানো চিঠিতে মনিরুল জানান, নির্বাচন কমিশন, তাদের আধিকারিক এবং ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। তিনি সর্বদা সংবিধান মেনে চলেন এবং আইনের শাসনে বিশ্বাস করেন। তবে কোথাও হয়তো শব্দচয়ন ভুল হয়েছিল। গত ১৪ জানুয়ারি ফরাক্কার বিডিও অফিসের সামনে যা বলেছিলেন, তা নির্বাচন কমিশনের মর্যাদা নষ্টের উদ্দেশ্যে বলেননি। ভোট প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করাও তাঁর উদ্দেশ্য নয়।

তাঁর নামে এফআইআর দায়ের হয়েছে শুনে ফরাক্কার বিধায়কের উক্তি, “মানুষের জন্য লড়াই করতে গিয়ে যদি জেলে যেতে হয়, তবে যাব। বিজেপি আর নির্বাচন কমিশন এখন আর আলাদা কিছু নয়। কমিশন এখন বিজেপির মুখপাত্র হিসাবেই কাজ করছে।”

বিধায়কের এই মন্তব্য কেন্দ্র-রাজ্য প্রশাসনিক সংঘাতকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে। কেন কমিশনের নির্দেশ সত্ত্বেও প্রশাসন মনিরুলের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তাঁর কটাক্ষ, ‘‘প্রশাসনিক নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন পুলিশ ব্যবস্থা নিল না, সেটাই তো বড় প্রশ্ন। একটা রাজনৈতিক দলকে কেন এফআইআর করতে হচ্ছে? এটাই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার বর্তমান অবস্থার উদ্বেগের ছবি।” ভরতপুরের বিধায়ক তথা জনগণ উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের আবার অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসন, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন যৌথ ভাবে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তৃণমূলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ওরা সংখ্যালঘু আবেগ নিয়ে দ্বিচারিতা করছে। আগামী নির্বাচনে এর ফল টের পাবে।”

মনিরুলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের নিয়ে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা চেয়ারম্যান সুবলচন্দ্র ঘোষের দাবি, “একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে স্বশাসিত সংস্থার কাজে বাধা দেওয়া এবং সরকারি অফিসে ঢুকে ভাঙচুর বা খুনের হুমকি দেওয়া কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে ওঁর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

manirul islam TMC MLA BJP TMC Congress
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy