E-Paper

ঝড়-বৃষ্টিতে ভাঙল ঘর, উড়ল দোকান

তেহট্ট পিডব্লিউডির কাছে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রাজ্য সড়কের উপর ভেঙে পড়ে দু’টি গাছ যার জন্য সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে যায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:২৬
ঝড়ে গাছ পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান। বুধবার তেহট্টে।

ঝড়ে গাছ পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান। বুধবার তেহট্টে। ছবি: সাগর হালদার।

প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে একাধিক ক্ষয়ক্ষতি তেহট্টের বিভিন্ন অংশে। কারও ভাঙল দোকান, ঝড়ে কারও ঘর উড়ে গেল। বজ্রাঘাতে ক্ষতি হয়েছে বৈদ্যুতিক একাধিক যন্ত্রের।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকালের পরে আকাশ জুড়ে মেঘ দেখা যায়। সন্ধ্যার পর শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। ঝড়ের তীব্রতা বেশি থাকায় ভেঙে যায় একাধিক গাছ। তেহট্ট পিডব্লিউডির কাছে কৃষ্ণনগর-করিমপুর রাজ্য সড়কের উপর ভেঙে পড়ে দু’টি গাছ যার জন্য সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে যায়। পরে প্রশাসনের তরফে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে গাছের ডাল কেটে তা সরিয়ে যানচলাচল স্বাভাবিক করা হয়। তবে সকাল হতেই দেখা যায় পিডব্লিউডি মোড়ের কাছে একটি গাড়ি সারানোর দোকান গাছ ভেঙে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দোকান মালিক ইদ্রিস আলি শেখ জানান, দোকানের পাশের বড় কৃষ্ণচূড়া গাছটিই ঝড়ে ভেঙে পড়ে, দোকানের অর্ধেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “দোকান করেই সংসার চলে। ঝড়ে বড় ক্ষতি হয়ে গেল।”

তেহট্ট দাস পাড়ায় মঙ্গলবার রাতেই উত্তেজনা ছড়ায়। জানা গিয়েছে, ঝড়ের কারণে আস্ত একটা টিনের ঘর উড়ে গিয়ে পাশের একটি ফাঁকা জায়গায় পড়ে। যদিও সেই সময় ঘরে কেউ না থাকায় হতাহতের খবর মেলেনি। জানা গিয়েছে, ওই বাড়ি নূপুর দাসের। তিনি জানান, ঝড়ের জন্য গত কাল রাতে পাশের পাড়ার এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। বাড়িতে থাকলে বড়সড় ক্ষতি হতে পারতো বলেও জানান তিনি। তেহট্টের ঐতিহ্যবাহী হাটেও ঝড়ের প্রভাব পড়েছে বলে খবর।

হাটের মধ্যে একাধিক অস্থায়ী দোকান আছে। সেখানে ঝড়ের কারণে একটি দোকান পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। আরও বেশ কিছু দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। জয় হালদার নামে এক দোকানি বলেন, “আমার দোকানটাই ভেঙেছে, কাল হাটের আগেই মেরামত করতে হবে।” অন্য দিকে ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতও হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। তেহট্ট জিৎপুরে বজ্রাঘাতে একাধিক গাছ ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দীপ মণ্ডল নামে এক বাসিন্দা বলেন, “বাড়ির নারকেল গাছে বাজ পড়ে বাড়ির ফ্যান-সহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে গিয়েছে।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Tehatta

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy