Advertisement
E-Paper

দূরে দূরে থেকে দশটা পাস খেললেই এক গোল 

 ইসলামপুর চক মহামায়া ক্লাবের অন্যতম কর্তা সাধন দে বলছেন, ‘‘টানা চার মাস ধরে অপেক্ষা করছি, আর কোনও উপায় না দেখে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিলাম যাবতীয় বিধি মেনেই অন্তত মাঠে নামাতে হবে খেলোয়ারদের।’’

সুজাউদ্দিন বিশ্বাস

শেষ আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২০ ০৫:৩৪
দূরত্ব বজায় রেখে ফুটবল। নিজস্ব চিত্র

দূরত্ব বজায় রেখে ফুটবল। নিজস্ব চিত্র

ফুটবলের ভরা মরসুম। কিন্তু লকডাউনের ফাঁদে পড়ে মাঠে নামতে পারছে না খেলোয়াড়রা। শেষ পর্যন্ত কিছুটা ঝুঁকি নিয়েই নিজেদের মতো করে বিধি মেনে খেলোয়াড়দের মাঠে নামাল ডোমকল মহকুমা এলাকার ইসলামপুর থানার দু’টি ক্লাবের কর্মকর্তারা। মাঠে নামার আগেই খেলোয়াড়দের থার্মাল স্ক্রিনিং থেকে স্যানিটাইজ়ারে হাত ধোওয়া তো হয়েইছে। সেই সঙ্গে, যাতে খেলার সময় কেউ কারও গা না ছোঁয়, তা নিয়ে বারবার সতর্ক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে পুরস্কারও। যদি কোনও দল নিজেদের মধ্যে পরপর দশটি পাস খেলতে পারেন, তা হলে তাদের এক গোল দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ডিফেন্ডাররা পড়েছে মুশকিলে। ট্যাকল করা একেবারেই নিষিদ্ধ। তার জন্য বারবার সাবধান করা হচ্ছে। খেলোয়ারদের জন্য রাখা হচ্ছে আলাদা আলাদা জলের বোতল।

তবে ইসলামপুরের দুটি ক্লাব মাঠে নামতে পারলেও মহকুমার বেশিরভাগ ক্লাব এখনও পর্যন্ত মাঠে নামার ঝুঁকি নিতে পারেনি। সাগরপাড়া এলাকার একাধিক ক্লাব এই সময়ে যারা চুটিয়ে ফুটবল খেলে, এবছর এখনও পর্যন্ত মাঠেই নামতে পারেনি। এলাকার একটি ফুটবল একাডেমির কর্মকর্তা হাসিবুল ইসলাম বলছেন, ‘‘এমনিতেই এলাকায় বেশ কয়েক জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে, ফলে গোটা সাগরপাড়ায় আতঙ্কে সিটিয়ে আছে। তার মধ্যে ফুটবল নামানো বড্ড ঝুঁকির হয়ে পড়বে ভেবেই আমরা মাঠে নামতে পারছি না। খেলোয়ারদের কথা ভেবে খুব খারাপ লাগছে, ওরা নিজেদের পারফরম্যান্স কতটা ধরে রাখতে পারবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে আমাদের।’’ তবে করোনাকে তোয়াক্কা না করে মাঠে নেমে পড়েছে ইতিমধ্যে। ডোমকলের কুশাবাড়িয়া এলাকায় চুটিয়ে ফুটবল খেলা শুরু হয়ে গেছে বলে জানা গিয়েছে স্থানীয় সূত্রে। স্থানীয় এক ক্লাব কর্মকর্তা বলছেন, ‘‘আমরা প্রথমে খেলোয়াড়দের থামিয়ে রাখার অনেক চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও ভাবেই আর তাদের আটকাতে পারিনি।’’

ইসলামপুর চক মহামায়া ক্লাবের অন্যতম কর্তা সাধন দে বলছেন, ‘‘টানা চার মাস ধরে অপেক্ষা করছি, আর কোনও উপায় না দেখে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিলাম যাবতীয় বিধি মেনেই অন্তত মাঠে নামাতে হবে খেলোয়ারদের।’’

সাধনবাবু বলছেন, ‘‘প্রথমেই হচ্ছে থার্মাল স্ক্রিনিং। তা ছাড়াও স্যানিটাইজ়ার দেয়া হচ্ছে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে। আর বারবার করেই বলা হচ্ছে, কোন খেলোয়ার যেন গায়ে গা না লাগায়।’’ তবে খেলোয়ারদের আক্ষেপ, এ বছরে আর কোনও টুর্নামেন্টে খেলা সম্ভবত যাবে না। ডোমকলের এক ফুটবলার শাহিন আনসারী বলছেন, ‘‘কোনও ক্রমে অন্তত বলটা তো পায়ে লাগাচ্ছি!’’

Coronavirus Health Covid-19
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy