২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ভোল বদল যুব কল্যাণ দফতরের। সোমবার পর্যন্ত নিয়মের দোহাই দিয়ে জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল কৃতী খেলোয়াড়দের। কিন্তু পরের দিন জানিয়ে দেওয়া হয় ওই খেলোয়াড়রা জাতীয় স্তরে যোগ দিতে পারবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের কাছে কার্যত নতি স্বীকার করে রাজীব গাঁধী খেল অভিযানের ৪০০ মিটার রিলে রেসে রাজ্যের সেরা মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া ও মেঘা সিয়ারা হাই স্কুলের কৃতী আট ছাত্রছাত্রীকে জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় যোগদানের ছাড়পত্র দিল রাজ্য যুব কল্যাণ দফতর।
ব্লক, জেলা ও রাজ্য স্তরে রাজীব গাঁধী খেল অভিযানে ৪০০ মিটার রিলে রেসে ছাত্রদের বিভাগে সাগরপাড়া হাইস্কুলের সৌমেন হালদার, বিক্রম দাস, রাজু মল্লিক ও মারুফ শেখ প্রথম স্থান অধিকার করে। একই ভাবে ছাত্রীদের বিভাগে সাগরদিঘির মেঘা সিয়ারা হাই স্কুলের শিল্পা মার্জিত, জোসমিনা খাতুন, অমৃতা ঘোষ ও সুস্মিতা কর্মকার রাজ্যে প্রথম হয়। সেই মতো ওই ছাত্রছাত্রীরা জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় যোগদানের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। কিন্তু গত সপ্তাহে রাজ্য যুব কল্যাণ দফতর থেকে দুই স্কুলকেই জানিয়ে দেওয়া হয় রাজ্য স্তরে পুরষ্কৃত হলেও ওই আট প্রতিযোগীদের কেউই জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে পারবে না। কারণ হিসেবে বলা হয় রিলে রেসে জাতীয় স্তরে সেই সব প্রতিযোগী যোগ দিতে পারবে যারা ব্যক্তিগত দৌড়ে প্রথম হয়েছে। তারই প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়ে দুই স্কুল। মেঘা সিয়ারা হাইস্কুলের ছাত্রছাত্রীরা সোমবার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। জেলা যুব কল্যাণ দফতরের ওই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সংগঠক সুভাষ বিশ্বাস বলেন, “সাত দিন আগে রাজ্য দফতর থেকেই আমাদের জানানো হয় ওই দুই স্কুলের আট কৃতী ছাত্রছাত্রীর বাদ পড়ার কথা। মঙ্গলবার দুপুরে জানানো হয় ওই দুই স্কুলের আট কৃতীকেই জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিয়ায় নিয়ে যেতে।”
এ দিকে সুখবর আসতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে দুই স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। বলেছে, “আমাদের জিততেই হবে।”