শুধু রাতে নয়, দিনেও কনকনে ঠান্ডা কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে। উত্তরবঙ্গেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শীত। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, দক্ষিণে এই ঠান্ডা থাকবে আরও দু’দিন। তার পর তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। উত্তরে সেই সম্ভাবনা নেই আপাতত। তবে রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ, সর্বত্র থাকবে ঘন কুয়াশা। দৃশ্যমানতা নামতে পারে ২০০ মিটারে। উত্তরের কয়েকটি জেলায় দৃশ্যমানতা নামতে পারে ৫০ মিটারে। সেখানে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে রাজ্যে আপাতত কোথাও বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।
জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই ১০ ডিগ্রির ঘরে নেমেছিল কলকাতার পারদ। বুধবার ভোরেও কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই তুলনায় বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়েছে ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২.৩ ডিগ্রি কম। আরও দু’দিন কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে এ রকমই থাকবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তার পরের দু’দিন ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে তাপমাত্রা। তার পরের তিন দিন তাপমাত্রার হেরফের হবে না। উত্তরবঙ্গে আগামী পাঁচ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রার হেরফের হবে না।
আরও পড়ুন:
আগামী সোমবার পর্যন্ত রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ, সব জেলায় থাকবে কুয়াশার দাপট। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে দৃশ্যমানতা নামতে পারে ৯৯৯ থেকে ২০০ মিটারে। দক্ষিণের জেলাগুলিতে কুয়াশার জন্য সতর্কতা জারি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে উত্তরবঙ্গের কয়েক জেলায় দৃশ্যমানতা নামতে ১৯৯ মিটার থেকে ৫০ মিটারে। শুক্রবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুরে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ‘শীতল দিন’ (অর্থাৎ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি বা তার কম হলে এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪.৫ ডিগ্রি বা তার বেশি কম হলে) থাকতে পারে।