E-Paper

আর জি কর তদন্তের আওতায় এ বার কি ‘উত্তরবঙ্গ লবি’, প্রশ্ন

আর জি করে মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের পরে, সেখানে ‘উত্তরবঙ্গ লবি’র ‘সেকেন্ড-ইন কমান্ড’ বলে স্বাস্থ্য দফতরের অন্দরে পরিচিত চিকিৎসক সুশান্ত রায়, তাঁর ছেলে চিকিৎসক সৌত্রিক রায়, ‘লবি’র আর এক নেতা চিকিৎসক অভীক দে-র উপস্থিতি নিয়ে রয়েছে বিতর্ক।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ মে ২০২৬ ০৮:৫১
আর জি কর হাসপাতাল।

আর জি কর হাসপাতাল। — ফাইল চিত্র।

পালা বদল হতেই এক সময়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী ‘উত্তরবঙ্গ লবি’র কী হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নড়াচড়া। বিশেষত, ২০২৪-এর ৯ অগস্টের আর জি কর কাণ্ডের তদন্তের প্রেক্ষিতে।

আর জি করে মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের পরে, সেখানে ‘উত্তরবঙ্গ লবি’র ‘সেকেন্ড-ইন কমান্ড’ বলে স্বাস্থ্য দফতরের অন্দরে পরিচিত চিকিৎসক সুশান্ত রায়, তাঁর ছেলে চিকিৎসক সৌত্রিক রায়, ‘লবি’র আর এক নেতা চিকিৎসক অভীক দে-র উপস্থিতি নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। আদালত ওই মামলার নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সে প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠেছে, এ বার কি ‘উত্তরবঙ্গ লবি’র চিকিৎসকদের তদন্তের আওতায় আনা হবে!

‘অ্যাসোসিয়েশন অব হেল‌্থ সার্ভিস ডক্টরস’-এর সাধারণ সম্পাদক উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ঘটনার সকালে আর জি করে সুশান্ত রায় গিয়েছিলেন। তাঁর ছেলে ঘটনার রাতে সেখানে খাওয়া-দাওয়ার কোনও পার্টিতে ছিলেন বলেও শোনা যায়। অভীক-দে সহ আরও অনেকের নাম ঘটনায় এসেছে।’’ জলপাইগুড়ির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্ণধারও বৃহস্পতিবার সমাজমাধ্যমে সুশান্তের উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখে আর জি কর সংক্রান্ত নানা বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। জানতে চাওয়া হয়েছে, ২০২৪-এর ৯ অগস্ট আর জি করে কেন গিয়েছিলেন সুশান্ত! ঘটনাচক্রে, কলকাতার চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, তথ্য-প্রমাণ লোপাটের জন্যই ঘটনাস্থলে হাজির ছিলেন ওএসডি (উত্তরবঙ্গ) পদে থাকা ওই প্রভাবশালী চিকিৎসক-নেতা। অভীকের ছবি দেখিয়ে কলকাতা পুলিশ তাঁকে ‘ফিঙ্গারপ্রিন্ট’ বিশেষজ্ঞ বলে দাবি করেছিল। খোলা চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার দিন রাতে সৌত্রিক আর জি করে ছিলেন। তিনি কেন ছিলেন সেখানে? তাঁকে বাঁচাতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ভুল নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দফতর জারি করেছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

‘অ্যাসোসিয়েশন অব হেল‌্থ সার্ভিস ডক্টরস’-এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘‘যাঁরা ঘটনা এবং তথ্য-প্রমাণ লোপাটের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যুক্ত বলে অভিযোগ, তাঁদের প্রত্যেকের ব্যাপারে যথাযথ তদন্ত হওয়া দরকার। আদালতের নির্দেশে সে সব বিষয়ে তদন্ত হবে বলেই আশাবাদী।’’ সুশান্ত রায় এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তনী অভীক দে ফোন ধরেননি। জবাব মেলেনি মোবাইল-বার্তার। তবে নিজের ও বাবার বিষয়ে সৌত্রিক শুধু বলেন, ‘‘সত্যেরই জয় হয়।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Medical rg kar hospital

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy