ক্লাসঘরে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মারধর ও হেনস্থার চেষ্টার অভিযোগ উঠল এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। কোচবিহারের একটি স্কুলের এমন ঘটনার ভিডিয়ো (আনন্দবাজার পত্রিকা সেটির সত্যতা যাচাই করেনি) রবিবার সকালে সমাজমাধ্যমে ছড়ায়। অন্য দিকে, জলপাইগুড়ির একটি বেসরকারি স্কুলে ক্লাস চলাকালীন এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে তার সহপাঠীকে আইনের আওতায় নিল পুলিশ। রবিবার অভিযুক্ত ছাত্রকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় পুলিশ। আজ, সোমবার তাকে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে পেশ করা হবে। এ দিন অভিযুক্তকে বোর্ডের হোমে রাখা হয়েছে।
অভিযোগ, জলপাইগুড়ির ওই বেসরকারি স্কুলে ২৩ জুন ক্লাস চলাকালীন ওই ছাত্রীকে যৌন হেনস্থা করা হয়। মুখ খুললে বাইরে গিয়ে আরও বড় অত্যাচার চালানোর হুমকি দেওয়া হয়। ছাত্রীর পরিবারের দাবি, স্কুলের অধ্যক্ষকে অভিযোগ জানালেও পদক্ষেপ করা হয়নি। এর পরেই শিশু কল্যাণ সমিতি ও জেলা পুলিশ সুপারের দফতরে অভিযোগ জানানো হয়। সমিতির নির্দেশে স্কুল কর্তৃপক্ষ শনিবার পুলিশে ডায়েরি করেন। ছাত্রীর বয়ান রেকর্ড করে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়। রবিবার সকালে অভিযুক্ত ছাত্রের বাড়িতে যায় পুলিশ। জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ সুপার উমেশ খন্ডবহালে বলেন, “পকসো আইন মেনে ব্যবস্থা হয়েছে।”
কোচবিহারের স্কুলের ওই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ক্লাসে কয়েক জন ছাত্রছাত্রী বসে রয়েছে। তার মধ্যে এক ছাত্রীকে মারধর ও হেনস্থা করছে এক ছাত্র। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ গড়াই বলেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত কোনও তরফে অভিযোগ মেলেনি।’’ স্কুলটির প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘‘গত বুধবার এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দু’পক্ষকে নিয়ে আলোচনা হয়। থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। আবার দু’পক্ষকে নিয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’ দুই পড়ুয়ার পরিবারের সঙ্গে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)