Advertisement
E-Paper

শাস্তির গেরোয় খেতাব হাতছাড়া জিটিএসের

যে ক্লাব ছিল চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে, তারাই নেমে গেল সুপার ডিভিশন থেকে! এমনই ঘটল শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদের ফুটবল লিগে। নিয়ম রয়েছে, লিগের কোনও ম্যাচে আইএফএ তালিকাভুক্ত ৩ জন ফুটবলার খেলানো যাবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:০১

যে ক্লাব ছিল চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে, তারাই নেমে গেল সুপার ডিভিশন থেকে! এমনই ঘটল শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদের ফুটবল লিগে।

নিয়ম রয়েছে, লিগের কোনও ম্যাচে আইএফএ তালিকাভুক্ত ৩ জন ফুটবলার খেলানো যাবে। আইএফএ তালিকাভুক্ত ফুটবলার ক্লাবের হয়ে লিগে খেললে তা ক্রীড়া পরিষদকে জানাতেও হবে। শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদের লিগে সেই নিয়ম ভেঙে ফুটবলার খেলানোর অভিযোগে ৩৬ পয়েন্ট বাদ গেল জিটিএস ক্লাবের।

তাতে লিগ চ্যাম্পিয়ন খেতাব থেকে ছিটকে গেল তারা। সোমবার রাতে মহকুমা ক্রীড়া পরিষদের এগজিকিউটিভ কমিটির বৈঠকে আলোচনার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মহানন্দা স্পোর্টিং ক্লাবকে চ্যাম্পিয়ন বলে ঘোষণা করা হয়। জিটিএস ক্লাব তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অবশ্য মানতে চায়নি।

Advertisement

ক্রীড়া পরিষদ সূত্রেই জানা গিয়েছে, রবীন থাপা এবং প্রতীক লামা নামে দুই ফুটবলারকে প্রায় সব ম্যাচেই খেলিয়েছে জিটিএস। কিন্তু তাঁরা আইএফএ তালিকাভুক্ত বলে জানানো হয়নি। ৬টি ম্যাচে জিতে এবং একটিতে ড্র করে জিটিএস ১৯ পয়েন্ট পেয়ে সেরার তালিকায় ছিল। তাদের সমান পয়েন্ট ছিল মহানন্দা ক্লাবেরও। তবে গোল দেওয়ার বিচারে এগিয়েছিল জিটিএস। ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃপক্ষ জানায়, জিটিএস-এর বিরুদ্ধে মহানন্দা ক্লাব-সহ আরও দু’টি ক্লাবের তরফে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জিটিএস এখন মাইনাস সতেরো পয়েন্টে সকলের পিছনে। এ বছর তারা সুপার ডিভিশন থেকে প্রথম ডিভিশনে নেমে গেল। ১৭ পয়েন্ট পেয়ে রানার্স বাঘা যতীন অ্যাথলেটিক ক্লাব।

এই নিয়ে শিলিগুড়ি ফুটবল মহলে হইচই পড়েছে। ক্রীড়া পরিষদের সচিব অরূপরতন ঘোষ বলেন, ‘‘নিয়ম ভাঙার জন্য যে ছ’টি ম্যাচে জিটিএস জিতে ১৮ পয়েন্ট পেয়েছিল, তা বাদ গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলি পেয়েছে। তা ছাড়া, প্রতি ম্যাচে আরও তিন পয়েন্ট করে পেনাল্টি ৬টি ম্যাচে পয়েন্ট কাটা গিয়েছে। মহানন্দা স্পোর্টিং ক্লাব চ্যাম্পিনয় হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।’’

জিটিএস-এর তরফে ক্রীড়া পরিষদের প্রতিনিধি রিপন দাস বলেন, ‘‘যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। আইএফএ ফুটবলার নয় ওই দু’জন। তা ছাড়া, ক্রীড়া পরিষদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্লাবকে এখনও চিঠি দেওয়া হয়নি। তা পেলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। প্রয়োজনে আইনের দ্বারস্থ হব।’’

এ বছর লিগে মহানন্দা এবং জেটিএস ক্লাব উভয় দলের বিরুদ্ধেই নিয়ম ভাঙার অভিযোগ ওঠে। ক্রীড়া পরিষদ সূত্রে খবর, জিটিএসের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে ওই ফুটবলাররা নথিভুক্ত কি না আইএফএ-র কাছে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিল তারা। আইএফএ জানায় তারা নথিভুক্ত ফুটবলার। মহানন্দা ক্লাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা নিয়ম ভেঙে অসমের দুই ফুটবলারকে খেলিয়েছে। ভিন রাজ্যের ফুটবলার এ ভাবে খেলানো যায় না বলে সূত্র জানিয়েছে। মহকুমা ক্রীড়া পরিষদের তরফে অসম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং আইএফএ’র কাছেও তা জানতে চাওয়া হয়। এ ব্যাপারে তারা কিছুই জানায়নি বলে দাবি ক্রীড়া পরিষদের সচিবের। মহানন্দা ক্লাবের তরফে অরূপ মজুমদার, কৌশিক দত্তরা বলেন, ‘‘আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনও সঠিক তথ্য প্রমাণ মেলেনি।’’

Football
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy