Advertisement
E-Paper
WBState_Assembly_Elections_Lead0_04-05-26

নেপালে অশান্তি: পানিট্যাঙ্কি সীমান্তে এখনও কড়া সতর্কতা! পরিদর্শনে রাজ্যপাল, মমতার নির্দেশে গেলেন নেতা-মন্ত্রীরাও

বুধবার সীমান্ত পরিদর্শনে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সেখানে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ এবং শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবও।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২০:১৪
Governor CV Anand Bose and TMC leaders and ministers visited the Panitanki border amid Nepal crisis

(উপরে) বুধবার পানিট্যাঙ্কিতে সীমান্ত পরিদর্শনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ এবং শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব (নীচে)। —নিজস্ব চিত্র।

নেপালে অশান্তির কারণে এখনও কড়া সতর্কতা বাংলার পানিট্যাঙ্কি সীমান্তে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্য প্রশাসন। বুধবার সীমান্ত পরিদর্শনে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সেখানে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ এবং শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবও।

বুধবার সকালে কলকাতা থেকে প্রথমে বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছোন রাজ্যপাল। সেখান থেকে এসএসবি (সশস্ত্র সীমা বল)-র উত্তরবঙ্গের সদর কার্যালয় রানিডাঙায় যান তিনি। সেখানে এসএসবির উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। এর পর সেখান থেকে রাজ্যপাল পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত পরিদর্শনে যান। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। কথা বলেন সীমান্ত এলাকার স্থানীয় মানুষদের সঙ্গেও।

পরে রাজ্যপাল বোস বলেন, ‘‘এসএসবি খুব ভাল কাজ করছে। চিন্তার কোনও কারণ নেই। উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। এসএসবি প্রয়োজনে নিজেদের মতো করে নিরাপত্তা বাড়িয়ে তা সুনিশ্চিত করবে। সীমান্তের নিরাপত্তা আমি খতিয়ে দেখলাম। এর পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও বিদেশ মন্ত্রককে রিপোর্ট দিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ জানাব।’’

অন্য দিকে, রাজ্যপাল যেতেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ভারত-নেপাল সীমান্ত পরিদর্শনে যান উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন, শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম এবং শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ। সীমান্ত পরিদর্শনের পর উদয়ন বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী যথেষ্ট তৎপর। উনি নিজে বলেছেন, প্রয়োজনে উনি এখানে থাকবেন। আমরা পরিদর্শন করে গেলাম। তবে সীমান্ত বন্ধ থাকার সাধারণ মানুষের এবং ব্যবসায়ীদের ভাল ক্ষতি হচ্ছে। নেপালে আটকে থাকা ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। চিন্তার কোনও কারণ নেই।"

সংক্ষেপে
  • সোমবার রাত (ভারতীয় সময়) পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে মৃতের সংখ্যা ১৯। হুড়োহুড়ি, ধস্তাধস্তি, পুলিশের গুলি, লাঠিতে আহতের সংখ্যাও অনেক। ‘কাঠমান্ডু পোস্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫০ জনের বেশি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
  • বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি ক্রমশ পুলিশ-প্রশাসনের হাতের বাইরে চলে যায়। নিয়ন্ত্রণ করতে শূন্যে গুলি ছোড়ে পুলিশ। ছোড়া হয় রবারের গুলিও। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, পুলিশ শূন্যে নয়, তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে। কারও গায়ে লেগেছে, কারও হাতে, আবার কারও মাথায়।
  • সম্প্রতি নেপাল সরকার ফেসবুক, হোয়াট্‌সঅ্যাপ, এক্স-সহ ২৬টি সমাজমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে প্রতিবাদে নামেন ছাত্র-যুবরা।
Nepal Violence Nepal Unrest CV Ananda Bose Panitanki
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy