সিকিমে ভারী বৃষ্টির জেরে জলপাইগুড়িতে তিস্তা নদীর জলস্তর বাড়ছে। তিস্তাতীরে মাইকে প্রচার করে কৃষকদের সর্তক থাকার পরামর্শ দিল জেলা প্রশাসন। ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। তিস্তার তীরে জমিতে রোদে শুকোতে দেওয়া ভুট্টা উঁচু জায়গায় নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। যদিও তিস্তাতীরের কৃষকদের দাবি, জল বাড়লে শুধু ভুট্টা নয়, নদীর চরে বিভিন্ন ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরকারি ভাবে বর্ষা এখনও আসেনি উত্তরবঙ্গে। তবে জলপাইগুড়িতে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। কয়েক দিন থেকে পাহাড়ে বৃষ্টি হচ্ছে। সিকিমে ভারী বৃষ্টির জেরে সমতলের নদীতে জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবার রাত থেকে জলপাইগুড়িতে তিস্তার তীরে জেলা প্রশাসনের তরফে টোটোয় মাইক বেঁধে সতর্কতামূলক প্রচার করা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, সিকিমে ভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তার জলস্তর বাড়বে। তিস্তাতীরের অধিকাংশ বাসিন্দা নদীর চরে চাষাবাদ করেন। সব মরসুমে চাষ করেই তাঁদের জীবিকা চলে। হঠাৎ নদীতে জল বাড়লে সমস্যায় পড়তে পারেন তাঁরা। এই কারণে আগাম সর্তকবার্তা গ্রামবাসীদের মধ্যে পৌঁছে
দিচ্ছে প্রশাসন।
তিস্তাতীরের সুকান্তনগর, সারদাপল্লির বাসিন্দাদের দাবি, তিস্তা নদী এখন দোমোহনীর দিক দিয়ে বয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের দিকে। শহরের দিকে নদী নেই। সেই কারণে এই পারে অনেক কৃষক চাষ করেছেন। তিস্তাতীরের এক কৃষক বিমল কীর্তনিয়া বলেন, ‘‘প্রতি বছরই প্রশাসন আগাম সর্তকবার্তা দেয়। এ বছর তিস্তায় এখনও জল খুব একটা বাড়েনি। কৃষকেরা সব সময়
সর্তক রয়েছেন।’’
জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সিকিমের পাহাড়ে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। সেই প্রভাব সমতলের নদীতে আসতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে। সেই কারণে কৃষকদের সর্তক
করা হচ্ছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)