Advertisement
E-Paper

লাচেনে এখনও আটকে হাজার পর্যটক! অস্থায়ী ফুটব্রিজ তৈরি করে ভারী তুষারপাতের মধ্যেই শতাধিক জনকে উদ্ধার করেছে সেনা

পর্যটকদের ফিরিয়ে আনতে বর্ডার রোড্‌স অর্গানাইজেশন-এর (বিআরও) সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন সেনা জওয়ানেরা। বরফ সরিয়ে বিকল্প পথ তৈরি এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশে দ্রুত অস্থায়ী ফুটব্রিজ নির্মাণ করে পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৪০
বরফে ঢেকে রয়েছে উত্তর সিকিম। তার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ।

বরফে ঢেকে রয়েছে উত্তর সিকিম। তার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ। — নিজস্ব চিত্র।

উত্তর সিকিমের লাচেন ও চুংথাঙের মাঝে ধস নেমেছে। ওই এলাকার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সড়ক যোগাযোগ। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং ভারী তুষারপাত উপেক্ষা করেই আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে নেমেছে ভারতীয় সেনার ত্রিশক্তি কোর। শুরু হয়েছে বিশেষ উদ্ধার অভিযান ‘অপারেশন হিম সেতু’।

গত রবিবার চুংথাং থেকে লাচেনগামী রাস্তায় তারাম চু সেতুর কাছে ধস নামে। এর ফলে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। ফলে লাচেনেই আটকে পড়েন পর্যটকেরা। এই কঠিন পরিস্থিতিতে পর্যটকদের ফিরিয়ে আনতে বর্ডার রোড্‌স অর্গানাইজেশন-এর (বিআরও) সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন সেনা জওয়ানেরা। বরফ সরিয়ে বিকল্প পথ তৈরি এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশে দ্রুত অস্থায়ী ফুটব্রিজ নির্মাণ করে পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত উত্তর সিকিম থেকে ১৩৫ জন পর্যটককে সফল ভাবে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ৩২টি হালকা যানবাহন এবং ১০টি মোটরসাইকেল। তুষারাবৃত পিচ্ছিল পথে সাধারণ মানুষের গাড়ি টেনে তুলতে ব্যবহার করা হচ্ছে সেনার শক্তিশালী গাড়ি। উল্লেখ্য, এক ৮০ বছর বয়সি অসুস্থ বৃদ্ধকেও নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দিয়েছেন জওয়ানরা।

Advertisement

এখন লাচেনে প্রায় ১,০০০ পর্যটক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের জন্য খাবার, পানীয় জল এবং জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে সেনাবাহিনী। আবহাওয়া অত্যন্ত প্রতিকূল হলেও ধাপে ধাপে পর্যটকদের নীচে নামিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। গত কয়েক সপ্তাহে টানা তুষারপাতের কারণে সিকিমে পর্যটক সমাগম হয় বেশি। বিশেষত উত্তর সিকিমে বহু মানুষ ভিড় করেন। তার মধ্যেই বিপত্তি।

উত্তর সিকিমের লাচেনে তারাম চু এলাকায় সম্প্রতি সেতু তৈরি করা হয়েছিল। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তার উদ্বোধন হয়। এই সেতুর মাধ্যমে সিকিমের পার্বত্য এলাকায় পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত কিছুটা সুগম হয়েছিল। কিন্তু এক মাসের মাথায় সেই সেতুর একাংশ ধসের কবলে। অনির্দিষ্ট কালের জন্য লাচেনের একটি অংশের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে।

landslide
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy