মালদহের মোথাবাড়িতে এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনার বেশ কয়েকটি মামলার তদন্তে এনআইএ-র বিশেষ আদালতে চলতি সপ্তাহে চার্জশিট জমা দিতে পারেন তদন্তকারীরা। এর আগে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-কে দ্রুত তদন্ত শেষ করার জন্য দু’মাস সময় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। যার মেয়াদও চলতি সপ্তাহে শেষ হচ্ছে।
সূত্রের খবর, এসআইআরে বিচারাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের নথি যাচাইয়ের কাজ চলছিল মালদহের কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতরে। গত ১ এপ্রিল এক দল উত্তেজিত জনতা এসআইআরের কাজে নিযুক্ত সাত জন বিচারককে রাত পর্যন্ত ওই অফিসে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান। পরে পুলিশ পৌঁছে তাঁদের উদ্ধার করে। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠে মালদহের মোথাবাড়ি, সুজাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। ওই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে সুপ্রিম কোর্ট মামলা রুজু করে এনআইএ-কে তদন্তের নির্দেশ দেয়। সেই ঘটনায় মোট ১২টি মামলা রুজু করে জেলা পুলিশ। পরে সেই মামলাগুলির তদন্তভার যায় এনআইএ-র হাতে। সোমবার পর্যন্ত এনআইএ ওই ১২টি মামলায় প্রায় ৬৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। যার মধ্যে রয়েছেন ওই হামলার ঘটনার মূল চক্রী মোফাক্কেরুল ইসলাম। যাঁকে ঘটনার পর বাগডোগরা বিমানবন্দরের বাইরে থেকে গ্রেফতার করেছিল সিআইডি। সূত্রের দাবি, তাঁকে মূল চক্রী দেখিয়েই চার্জশিট জমা দিতে পারেন তদন্তকারীরা। সেই সঙ্গে স্থানীয় বেশ কয়েক জন তৃণমূল নেতার নামও থাকতে পারে চার্জশিটে।
প্রাথমিক তদন্তে এনআইএ-র তদন্তকারীরা জানতে পারেন, বেশ কয়েক জন নেতা স্থানীয় মানুষদের প্ররোচিত করেছিলেন রাস্তা অবরোধ করতে এবং বিচারকদের আটকে রাখতে। তার পরেই উত্তেজিত জনতা ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধকরে দেয়।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)