E-Paper

তিস্তা নদী থেকে জল তুলতে নথি পাঠালো পুরসভা

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, অম্রুত প্রকল্পের অধীনে প্রায় সাড়ে ৭৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ওই প্রকল্প গড়ে উঠছে।

সৌমিত্র কুন্ডু

শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৫০
শিলিগুড়ি পুরসভা।

শিলিগুড়ি পুরসভা। ফাইল চিত্র।

শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল প্রকল্পের একাংশ কাজের অনুমতি দিতে একাধিক নথি চেয়েছে ন্যাশনাল বোর্ড অব ওয়াইল্ড লাইফ কর্তৃপক্ষ। গজলডোবায় তিস্তা থেকে জল তুলে তা শিলিগুড়ি শহরে সরবরাহ করা হবে। ওই কাজের সম্মতি দিতে কেন্দ্রের তরফে যে সমস্ত নথি চাওয়া হয়েছে শিলিগুড়ি পুর কর্তৃপক্ষের তরফে সম্প্রতি তা পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানোর পরে অনুমোদন দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানানো হয়েছে।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, অম্রুত প্রকল্পের অধীনে প্রায় সাড়ে ৭৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ওই প্রকল্প গড়ে উঠছে। গজলডোবায় যেখান থেকে জল তোলা হবে সেই ‘ইনটেক ওয়েল’ তৈরির জায়গায় বন্যপ্রাণ সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে পড়ে। সে কারণে, নদী থেকে জল তুলতে বন এবং পরিবেশ মন্ত্রকের অধীন ন্যাশনাল বোর্ড অব ওয়াইল্ড লাইফের সম্মতি দরকার। রাজ্যের মাধ্যমে সেই আবেদন করা হয়েছিল। তার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন তথ্য চেয়েছে পাঠায় ন্যাশনাল বোর্ড অব ওয়াইল্ড লাইফ। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, ‘‘পুরো বিষয়টি প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে। আশা করছি, দ্রুত ন্যাশনাল বোর্ড অব ওয়াইল্ড লাইফের সম্মতি পেয়ে যাব।’’

পুরসভা সূত্রেই জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি পুরসভার আবেদনের প্রেক্ষিতে ন্যাশনাল বোর্ড অব ওয়াইল্ড লাইফ জানতে চেয়েছে প্রস্তাবিত ইনটেক ওয়েলের জায়গায় কোনও বনবস্তি বা আদিবাসী মানুষের বসবাস রয়েছে কি না। সেখানে রাজস্ব আদায় হয় এমন জমি নেই, তা জানিয়ে ব্লক ভূমি রাজস্ব দফতরকে একটি শংসাপত্র দিতে হবে। এই দু’টি তথ্য এবং নথি চাইলে রাজ্যের মাধ্যমে তা কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে।

জল সরবরাহ বিভাগের মেয়র পারিষদ দুলাল দত্ত বলেন, ‘‘যে নথি কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক থেকে চাওয়া হয়েছিল তা পাঠানো হয়েছে। তিন-চার মাস অন্তর সংশ্লিষ্ট বোর্ডের বৈঠক বসে। সেখানে বিষয়টি পাশ করানোর প্রক্রিয়া চলছে।’’ ওই সম্মতি পেলে গজলডোবায় তিস্তা থেকে জল তুলতে ইনটেক ওয়েল তৈরিতে আর কোনও বাধা থাকবে না বলে তিনি জানান।

সেখান থেকে জল তুলে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ফুলবাড়িতে এনে পরিস্রুত করা হবে। তারপরে শিলিগুড়ি শহরে পানীয় জল সরবরাহ করা হবে। ফুলবাড়িতে জল আনার ক্ষেত্রেও বৈকুন্ঠপুর বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে পাইপ লাইন পাততে হয়েছে। তার জন্য রাজ্য বন দফতরের সম্মতি নিয়ে সেই কাজ করাও হয়েছে। ন্যাশনাল বোর্ড অব ওয়াইল্ড লাইফের সম্মতি পেলে বাকি কাজ দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন পুর কর্তৃপক্ষ।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Siliguri

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy