Advertisement
E-Paper

পর্যটক টানতে নয়া পরিকাঠামো সুটুঙ্গা বনাঞ্চলে

সুটুঙ্গা নদীর ধার ঘেঁষে থাকা ফাঁকা জমিতে বনাঞ্চল তৈরি করা হয়েছিল বেশ কয়েক বছর আগেই। এ বারে প্রায় ১ কোটি টাকা খরচে মাথাভাঙার আমবাড়িতে ওই নদীর ধারেই পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ শুরু করল কোচবিহার জেলা পরিষদ। শনিবার দুপুরে ওই প্রকল্পের কাজের শিলান্যাস করেন রাজ্যের বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন। জেলা পরিষদ সূত্রের খবর, ওই জায়গায় একটি শিশু উদ্যান এবং একটি পিকনিক স্পট গড়ে তোলা হবে। পাঁচিল, তোরণ, বসার জন্য ছোট ছোট শেড, রান্নার জায়গাও তৈরি করা হবে। শিশুদের খেলাধুলোর জন্য দোলনা-সহ নানা সরঞ্জাম থাকবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০১৫ ০১:৫৩

সুটুঙ্গা নদীর ধার ঘেঁষে থাকা ফাঁকা জমিতে বনাঞ্চল তৈরি করা হয়েছিল বেশ কয়েক বছর আগেই। এ বারে প্রায় ১ কোটি টাকা খরচে মাথাভাঙার আমবাড়িতে ওই নদীর ধারেই পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ শুরু করল কোচবিহার জেলা পরিষদ। শনিবার দুপুরে ওই প্রকল্পের কাজের শিলান্যাস করেন রাজ্যের বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন। জেলা পরিষদ সূত্রের খবর, ওই জায়গায় একটি শিশু উদ্যান এবং একটি পিকনিক স্পট গড়ে তোলা হবে। পাঁচিল, তোরণ, বসার জন্য ছোট ছোট শেড, রান্নার জায়গাও তৈরি করা হবে। শিশুদের খেলাধুলোর জন্য দোলনা-সহ নানা সরঞ্জাম থাকবে।

বনমন্ত্রী ওই এলাকায় বেশি করে ফুল ও ফল গাছ লাগানোর জন্য পঞ্চায়েত সমিতিকে পরামর্শ দেন। কিছু এলাকা আলাদা ভাবে ঘিরে দেওয়ার ব্যবস্থা করলে বন দফতরের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় খরগোশ, সজারু, হরিণ ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারেও আশ্বাস দেওয়া হয়। বনমন্ত্রী বলেন, “সুটুঙ্গা নদীর ধারে আমবাড়ির বাগানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবাইকে আকর্ষণ করে। এ বারে শিশু উদ্যান এবং পিকনিক স্পট গড়ে তোলা শুরু হল। সেখানে আরও কাজের ইচ্ছে রয়েছে আমাদের।”

মাথাভাঙ্গা ১ পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, সুটুঙ্গা নদীর ধারে আমবাড়িতে পঞ্চায়েত সমিতির ৩৩ একর জমি রয়েছে। বেশ কয়েক বছর আগে ওই এলাকায় বনাঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয় ব্লক প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপণ করা হয়। সেখানে শিশু, গামারি, অর্জুন-সহ নানা ধরনের গাছ রোপণ করা হয়। গাছগুলি এখন অনেকটাই বড় হয়েছে। এর পর থেকেই ওই এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকে। বিশেষ করে শীতকালে ভিড় বেশি হয়। সেখানে পিকনিকের আসরও বসে।

কিন্তু শৌচাগার থেকে শুরু করে সেখানে কোনও পরিকাঠামোই না থাকায় নানা সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। এই অবস্থাতেই সেখানে পিকনিক স্পট এবং শিশু উদ্যান গড়ে তোলার প্রকল্প নেয় জেলা পরিষদ। এর জন্য ৯১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ওই টাকায় পিকনিকের জন্য শেড, শিশু উদ্যান তৈরি করা হবে। উদ্যানের জন্য চিহ্নিত এলাকা পাঁচিল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হবে। বনমন্ত্রী জানান, এর বাইরেও বনাঞ্চলে থাকা আরও কয়েক একর জমি যদি ঘিরে দেওয়া যায়, তা হলে সেখানে তৃণভোজী প্রাণি ছাড়ার ব্যাপারে উদ্যোগ নেবেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি পুষ্পিতা ডাকুয়া। মাথাভাঙা ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আবু তালেব আজাদ বলেন, “আমরা ওই এলাকায় আরও কিছু পরিকাঠামো তৈরির কাজ করব। বনমন্ত্রীর প্রস্তাব মেনে কাজ করা হবে। পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ওই এলাকা আরও আকর্ষণীয় করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy