Advertisement
E-Paper

বন্যা পরিস্থিতি সামলাতে শুরু রাস্তা সংস্কারের কাজ

বন্যায় রাস্তা ডুবে বা ভেঙে গিয়ে বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো হয়ে থাকত এলাকা। সেই ঘটনা বন্ধ করতে গঙ্গারামপুর থেকে মালদহের মধ্যে যোগাযোগের বিকল্প রাস্তা তৈরির কাজ শুরু করল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ। পাশাপাশি জেলার হরিরামপুর থেকে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের জন্য অপর একটি পাকা রাস্তার কাজের সূচনা হল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০১৫ ০২:১৯

বন্যায় রাস্তা ডুবে বা ভেঙে গিয়ে বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো হয়ে থাকত এলাকা। সেই ঘটনা বন্ধ করতে গঙ্গারামপুর থেকে মালদহের মধ্যে যোগাযোগের বিকল্প রাস্তা তৈরির কাজ শুরু করল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ। পাশাপাশি জেলার হরিরামপুর থেকে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের জন্য অপর একটি পাকা রাস্তার কাজের সূচনা হল।

সোমবার ওই দু’টি রাস্তার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এলাকার বিধায়ক তথা তৃণমূল জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র। তিনি বলেন, ‘‘বালুরঘাট থেকে মালদহ সড়ক পথে যোগাযোগের একমাত্র রাস্তাটি ফি বছর বন্যার সময় কখনও গঙ্গারামপুরের ঠ্যাঙাপাড়ায় কখনও ডিটলহাটের কাছে ভেঙে পড়ে। গোটা এলাকা তখন বাইরের জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে ওই রাস্তা দু’টি তৈরির দাবি ছিল দীর্ঘ দিনের। জেলা পরিষদ এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়ে রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হল। এতে যেমন গঙ্গারামপুরের সঙ্গে মালদহের মধ্যে বিকল্প রাস্তার মাধ্যমে যোগাযোগের সুবিধা হবে। তেমনি হরিরামপুরের সঙ্গে ইটাহারের সড়ক পথে যোগাযোগও সহজ হবে।’’

বিগত বছরগুলিতে বন্যার সময় এক মাত্র রাস্তায় জল উঠে, ভেঙে দ্বীপের মতো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ত বালুরঘাট। বাম আমলে তৎকালীন কারামন্ত্রী বিশ্বনাথ চৌধুরীর উদ্যোগে বালুরঘাট-মালদহের মধ্যে তপনের আমতলিঘাট হয়ে মালদহের নালাগোলার সঙ্গে একটি বিকল্প সড়ক তৈরি হয়। তাতে বন্যার সময় বালুরঘাট, মালদহের সঙ্গে বিকল্প যোগাযোগের সুযোগ হলেও গঙ্গারামপুর এলাকার মানুষ সমস্যার মধ্যে পড়তেন। এ বার গঙ্গারামপুরের কালীতলা মোড় থেকে আমতলিঘাটের সঙ্গে ওই নয়া বিকল্প রাস্তাটি যুক্ত হলে গঙ্গারামপুর এলাকার বাসিন্দারা দুর্যোগের সময় ওই সমস্যায় পড়তে হবে না বলে সভাধিপতি ললিতা টিগ্গা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘মোট ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ওই পাকা রাস্তা নির্মাণ বাবদ জেলা পরিষদ থেকে প্রথম দফায় প্রায় ৮ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’’

Advertisement

পাশাপাশি হরিরামপুর ব্লকের সৈয়দপুর নামতোর ভায়া নপাড়া হয়ে ইটাহার সীমান্তে কালোমাটিয়া ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার ওই রাস্তাটি তৈরির জন্য উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর থেকে প্রায় ৭ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। ১৯৯২ সালে সাবেক পশ্চিম দিনাজপুর জেলা ভাগ হয়ে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর দু’টি জেলা তৈরি হলেও আইনি জটিলতার অভিযোগে হরিরামপুর ব্লকের সৈয়দপুর ও গোকর্ণের কিছু এলাকার একাংশ স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রাথমিক স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি ও শিশুশিক্ষা কেন্দ্র উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার ব্লকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পরিচালিত হচ্ছে। ওই রাস্তাটি তৈরি সম্পন্ন হলে হরিরামপুরের ওই অংশের সঙ্গে ইটাহারের যোগাযোগ সহজ হবে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy