Advertisement
E-Paper

সংস্কৃতি যেখানে যেমন

সাহিত্যে দুই বাংলার মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন ঘটাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করায় বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এরশাদের হাত থেকে পদক পেলেন উত্তর দিনাজপুরের দুই কবি ও এক জন নৃত্যশিল্পী।

শেষ আপডেট: ১৪ নভেম্বর ২০১৪ ০২:০১

সাংস্কৃতিক সম্মান

সাহিত্যে দুই বাংলার মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন ঘটাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করায় বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এরশাদের হাত থেকে পদক পেলেন উত্তর দিনাজপুরের দুই কবি ও এক জন নৃত্যশিল্পী। সম্প্রতি বাংলাদেশের ঢাকায় সার্ক কালচারাল সোসাইটির একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ইসলামপুরের ওই দুই সাহিত্যিক নিশিকান্ত সিংহ ও সুশান্ত নন্দী এবং রায়গঞ্জের নৃত্যশিল্পী জনার্দন সরকার। এ ছাড়াও নদিয়ার এক জন ও ত্রিপুরার দুই জন সেখানে যান। ওই অনুষ্ঠানে ছয় ভারতীয়র হাতে সেই সংস্কৃতির সংস্থা সার্ক সম্মান ২০১৪ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। উত্তরবঙ্গের ওই তিন জনকে ১ নভেম্বর বাংলাদেশে জাতীয় কিশোর সংগঠনের পক্ষ থেকে পদক এবং জাতীয় ব্যক্তি স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে মাদার টেরিজা ২০১৪ পদক দেওয়া হয়। বাংলা ভাষায় অবদানের জন্য গত ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে শহিদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে স্বর্ণপদক পান সুশান্ত নন্দী।

আমার লেখা

লেখা: সুদীপ দত্ত।

কিছু ‘ব্যক্তিগত গদ্য’কিছু ‘ভ্রমণ’। অন্যান্যদের মধ্যে কবিতা আর ‘অনুভবে ২২শে শ্রাবণ’। অক্ষর শৃঙ্খলে কবিতা পালের ‘আমার কথা আমার লেখা’। এই কথা ‘স্বর্ণালী স্মৃতি’ বা ‘সেই ছোট্ট মেয়েটির’ কথা নয়। ‘সুখ-দুঃখের টুকরো পাতা’ও নয়। এই কথা আসলে হারিয়ে যাওয়া সময়ের কথা। সেইসময় আঁকড়ে রাখে যৌথ পরিবার, বাল্যবিবাহ,আঁতুড়ঘর, খিলিপান, বিকেলবেলার খেলা এমন কত ঝাপসা ছবি। ‘আমার কথা’ কখন যেন পঞ্চাশ ষাট সত্তর ছুঁই ছুঁই আমাদের কথা হয়ে যায়। এই লেখাও শুধু ‘আমার লেখা’? নাকি এই লেখা আমাদেরও? জলপাইগুড়ির তিস্তা নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্রের সদস্য সত্তরোর্ধ্ব লেখক শুধু একটি কথাই বলেননি, শুরুর কোনও বয়স থাকে না।

হিন্দিতে ভাওয়াইয়া

দশটি ভাওয়াইয়া গানের সম্প্রতি হিন্দি রূপান্তর হয়েছে মূল সুর, শৈলী এবং ভাব অক্ষুণ্ণ রেখে। শিল্পী কবিতা রায় এবং ভবেশ রাভা। এই গানগুলি উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি অসমেও জনপ্রিয়। গানগুলির হিন্দি রূপান্তর করেছেন ফালাকাটার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রামসেবক গুপ্ত। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের নদী, পাহাড়, খেত, জঙ্গল তুলে ধরে ভিডিও অ্যালবাম করার কাজ প্রায় শেষের পথে। প্রায় দু’দশক আগে ফালাকাটা ব্লকের শিল্পী ধনেশ্বর রায়ের রচিত গান “একবার উত্তরবাঙ্গলা আসিয়া যান---”। পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য সরকারও এই গানটিকে একসময় পর্যটন দফতরের থিম গান হিসাবে ব্যবহার করার চিন্তা ভাবনা করেছিল। এই গান সহ “কাজল ভ্রমরা রে--”, “ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে—” এই সমস্ত গানগুলি হিন্দি গান হিসাবে খুব দ্রুতই বাজারে আসতে চলেছে। রামসেবকবাবুর কথায়, “উত্তরবঙ্গের এই মাটির গানগুলি যাতে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে পৌঁছয়, তাই মনের তাগিদে সেগুলি হিন্দিতে লিখতে শুরু করি।”

দর্পনের নাট্যোৎসব

গত ৪, ৫ ও ৬ নভেম্বর জলপাইগুড়ি সরোজেন্দ্র দেব রায়কত কলাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একাঙ্ক নাট্যোৎসব। আয়োজক শহরের মহিলা নাট্যদল ‘দর্পণ’। বেদগানের মধ্য দিয়ে উৎসবের শুভ সূচনা করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী সর্বাণী ধাড়া। প্রকাশিত হয় ‘দর্পণ’ নামাঙ্কিত পত্রিকা। উৎসবের প্রথম দিন পরিবেশিত হয় আলিপুরদুয়ারের সংঘশ্রী যুব নাট্যসংস্থার ‘বেড়াজাল’। দ্বিতীয় নাটক ছিল মাথাভাঙার গিলোটিন নাট্যসংস্থার ‘যিশু’। দ্বিতীয় দিন মঞ্চস্থ হয় দু’টি নাটক। মালদহ ড্রামাটিক ক্লাবের ‘বাদশা-বেগম’ এবং দমদম স্বপ্নিল নাট্যগোষ্ঠীর নাটক ‘ভূত’। শেষ দিনে পরিবেশিত হয় তিনটি নাটক। কোচবিহারের অগ্নি নাট্য সংস্থা মঞ্চস্থ করে ‘নৈঃশব্দের প্রতিধ্বনি’। ছিল কলকাতার সমকালীন নাট্যসংস্থার নাটক ‘রবিঠাকুর এন্টারপ্রাইজ’। শেষে ছিল হাওড়া বেঙ্গল থিয়েটার রেপার্টরি-র নাটক ‘কবর’। লেখা: অনিতা দত্ত।

শিশুদিবস

ইউনাইটেড নেশনস কনভেনশন অব চাইল্ডস রাইট ডে’র ২৫তম বর্ষে ‘সিনি’ অর্থাৎ চাইল্ড ইন নিড ইনস্টিটিউট-এর শিলিগুড়ি শাখা শিশুদিবস পালনের উদ্যোগ নিয়েছে। আজ লায়নস ক্লাব অব শিলিগুড়ি-র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এক র্যালির আয়োজন করেছে সিনি। দেখা যাবে শিশুর অধিকার সম্পর্কিত প্ল্যাকার্ড। থাকবে ট্যাবলোও। নভেম্বরের ১৪ থেকে ২০ ‘চাইল্ডলাইন দোস্তি’ সপ্তাহ পালন করবে সংস্থাটি।

শিশুদের ছবি

ছবি আকার বিষয় ছিল শান্তি এবং ভালবাসা। এই বিষয়ের ওপর কেউ আঁকল সন্ত্রাস মুক্ত পৃথিবীর ছবি, কেউ বা আঁকল একঝাঁক সাদা পায়রা। গত রবিবার মালবাজারের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে এমনই বসে আঁকো প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। ৪০ জনেরও বেশি কচিকাঁচারা তাতে অংশ নেয়। সংগঠনের অন্যতম কর্মকর্তা বিশ্বনাথ পোদ্দার জানান, প্রতিযোগিতায় সেরাদের বেছে তাঁদের দিয়ে সেবকের পথে পাহা়ড়ের দেওয়ালে ছবি আঁকানো হবে।

গৌড়ীয় নৃত্য

আনন্দধারা ইনস্টিটিউট অফ পারফর্মিং আর্টস অ্যান্ড প্রোডাকশনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি বালুরঘাট নাট্যমন্দিরে পরিবেশিত হল গৌড়ীয় নৃত্য। বাংলার নিজস্ব এই শাস্ত্রীয় নৃত্যধারা মূলত গৌড়বঙ্গের নৃত্যশৈলী। গণেশ বন্দনা, শিব বন্দনা, অম্বিকা স্তুতি এবং সরস্বতী বন্দনার মাধ্যমে ৭ নভেম্বর উপস্থাপনা করলেন দেবাশিস সরকার,সুদেষ্ণা মজুমদার, সুচেতনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অর্নি বাগচি। লেখা: তুহিনশুভ্র মন্ডল

পড়ুয়াদের অনুষ্ঠান

স্কুলের ১৭৫ জন পড়ুয়াদের নিয়ে আগাম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করল রায়গঞ্জের মহারাজা হাট এলাকার হৈমবতী শিশু শিক্ষা নিকেতন। গত বুধবার অনুষ্ঠানে পড়ুয়ার সঙ্গে স্থানীয় শিল্পীরা নাচ, গান ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy