E-Paper

অনুপ্রবেশে ধৃত তরুণীকে ধর্ষণে ধৃত এএসআই

রানাঘাট পুলিশ-জেলার সুপার আশিস মৌর্য বলেন, “অভিযোগ পেয়েই আমরা তদন্তে নামি। অভিযুক্তদের ধরা হয়েছে। শনাক্তকরণও হয়েছে।”

সুস্মিত হালদার, সুদেব দাস

শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ ০৭:৪৫

—প্রতীকী চিত্র।

অনুপ্রবেশের অভিযোগে ধৃত এক বাংলাদেশি তরুণীকে নদিয়ার হাঁসখালি থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে গাড়ি থেকে নামিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইনস্পেক্টর (এএসআই) এবং দুই সিভিক কর্মীকে ধরা হয়েছে। রানাঘাট আদালত তিন জনকে ১৪ দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তরুণীকে দিয়ে শনাক্তকরণের পর্বও মিটেছে।

রানাঘাট পুলিশ-জেলার সুপার আশিস মৌর্য বলেন, “অভিযোগ পেয়েই আমরা তদন্তে নামি। অভিযুক্তদের ধরা হয়েছে। শনাক্তকরণও হয়েছে।” পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃত এএসআইয়ের নাম ভরত সাহা, তার সঙ্গী দুই সিভিক কর্মীর নাম কৌশিক রায় ও রাকেশ বিশ্বাস। বর্তমানে কৃষ্ণনগর জেলা সংশোধনাগারে বন্দি ওই বিবাহিত তরুণীর অভিযোগ, গত ২ মার্চ আরও কয়েক জনের সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকার পরে, সাদা পোশাকে থাকা দু’জন তাঁদের ধরে ‘পুলিশ’ লেখা সাদা গাড়িতে তোলে। ভোর ৪টে নাগাদ তল্লাশির নামে তাঁকে আলাদা সরিয়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণকরা হয়।

বাংলাদেশের ওই তরুণীকে আদালতে হাজির করিয়ে সংশোধনাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখানকার কর্মীদের মারফত তিনি ‘ডিস্ট্রিক্ট লিগাল সার্ভিসেস অথরিটি’-কে (ডিএলএসএ) বিষয়টি জানান। তারা ৫ মার্চ হাঁসখালি থানা এবং‌ পুলিশ সুপারকে লিখিত জানায়। পুলিশ সুপারের নির্দেশে এসডিপিও (রানাঘাট) সবিতা ঘটিয়ালের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গড়ে তদন্ত শুরু হয়। ওই তরুণী এবং তাঁর সঙ্গে ধৃত অন্য বাংলাদেশিদের গোপন জবানবন্দি নেওয়ার পরে, গত ২১ মার্চ হাঁসখালি থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়। পুলিশ সুপারের নির্দেশে অভিযুক্তদের আগেই নিলম্বিত করা হয়েছিল। রানাঘাট মহিলা থানা মঙ্গলবার তাদের গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করায়। সে দিনই আদালত ‘টিআই প্যারেড’-এর আবেদন মঞ্জুর করে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Harrasment torture infiltration

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy