Advertisement
E-Paper

স্বাধীনতা সংগ্রামী দাদুর পাওয়া তাম্রপত্র নিয়ে এসআইআরের শুনানিতে হাজির সিউড়ির মুখোপাধ্যায় পরিবার

সিউড়ির ১ নম্বর ব্লকের কড়িধ্যা পঞ্চায়েত এলাকায় বাস মুখোপাধ্যায় পরিবারের। সেই পরিবারের চার সদস্যই এসআইআর শুনানিতে ডাক পান।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৮
তাম্রপত্র হাতে মুখ্যোপাধ্যায় পরিবারের সদস্য।

তাম্রপত্র হাতে মুখ্যোপাধ্যায় পরিবারের সদস্য। — নিজস্ব চিত্র।

হাতে অতি পুরনো এক তাম্রফলক। সেই নিয়েই বীরভূমের জেলা নির্বাচন দফতরে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর শুনানিতে শুক্রবার হাজির হলেন সিউড়ির এক পরিবারের চার জন। তাঁদের দাবি, স্বাধীনতা সংগ্রামী দাদুর পাওয়া ওই তাম্রফলকই তাঁদের নাগরিকত্বের সবচেয়ে বড় ‘প্রমাণ’।

সিউড়ির ১ নম্বর ব্লকের কড়িধ্যা পঞ্চায়েত এলাকায় বাস মুখোপাধ্যায় পরিবারের। সেই পরিবারের চার সদস্যই এসআইআর শুনানিতে ডাক পান। পরিবারের সদস্য শুভজিৎ মুখোপাধ্যায় জানান, তিনি, তাঁরা মা, দাদা, বোনকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। আধার কার্ড, মাধ্যমিকের শংসাপত্র-সহ প্রয়োজনীয় প্রামাণ্য নথি নিয়ে তাঁরা এসেছেন জেলা নির্বাচন দফতরে। তবে সেই সঙ্গে এনেছেন একটি তাম্রপত্রও। সেটি পেয়েছিলেন তাঁর স্বাধীনতা সংগ্রামী দাদু জীবনানন্দ মুখোপাধ্যায়। শুভজিৎ বলেন, ‘‘দাদু স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। ১৯৭২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হাত থেকে পুরস্কার পান তিনি। আশা করি এই প্রমাণ গুরুত্ব পাবে।’’

কেন ডাকা হয়েছে মুখোপাধ্যায় পরিবারকে? শুভজিৎ জানিয়েছেন, ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় তাঁর বাবার নাম ছিল না। কিন্তু সেই নাম কেন নেই, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে তাঁদের। তিনি বলেন, ‘‘কেন ডাকা হল, কেন নাম পাওয়া গেল না, বুঝতে পারছি না। এটা এক স্বাধীনতা সংগ্রামীর পরিবারকে হেনস্থা।’’

শুনানি শেষে পরিবারের সদস্যেরা জানান, কর্তৃপক্ষ সব নথি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁদের আশা, তাম্রপত্র দেখার পরে এবং জমা দেওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত এই জটিলতার নিষ্পত্তি হবে।

এসআইআরের শুনানি ডেকে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে এ রাজ্যে অভিযোগ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ৯০ বছরের বৃদ্ধ, অন্তঃসত্ত্বাকেও ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এই নিয়ে সরব রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। এ বার সিউড়ির মুখোপাধ্যায় পরিবারের চার সদস্য শুনানিতে ডাক পাওয়ার পরে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি জেলা এবং স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy