Advertisement
E-Paper

রেশন নিয়ে নানা প্রশ্ন, বিক্ষোভ জেলায়

আটা মিল বন্ধ থাকায় আটা কোথাও কোথাও ঢোকে নি। তবে রাজ্য ও কেন্দ্রের দু’ধরনের ঘোষণায় কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি আছে। প্রচার চলছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২০ ০৭:৪২

রেশন বিলি বন্টন নিয়ে গ্রহকদের একাংশের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে, মঙ্গলবারই আঁচ পাওয়া গিয়েছিল খয়রাশোলে, সিউড়ি মহম্মদবাজারে। বুধবার রেশন বিলির প্রথম দিনই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ বা বিভ্রান্তি লক্ষ্য করা গিয়েছে। কোথাও ডিলারের বিরুদ্ধে সঠিক পরিমাণ সামগ্রী না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। কোথাও আবার ঘোষণা সত্ত্বেও কেন পুরনো কার্ডে জিনিস পাব না এমন নানা প্রশ্ন তুলে বিভ্রান্তির জেরে বিক্ষোভ হয়। দফতরের এক কর্তা অবশ্য বলেন, সাঁইথিয়া ছাড়া কোথাও তেমন অভিযোগ আসেনি। আটা মিল বন্ধ থাকায় আটা কোথাও কোথাও ঢোকে নি। তবে রাজ্য ও কেন্দ্রের দু’ধরনের ঘোষণায় কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি আছে। প্রচার চলছে।

সাঁইথিয়া

বরাদ্দ অনুযায়ী রেশন সামগ্রী না পেয়ে রেশন দোকানে বিক্ষোভ দেখানোর ঘটনা ঘটে সাঁইথিয়ার মদনপুর গ্রামে। ওই গ্রামের রেশন ডিলার সৌমেন মণ্ডলের রেশন দোকানে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। গ্রাহকদের অভিযোগ, সরকারি ঘোষণা অগ্রাহ্য করে তাঁদের মাত্র ৫০০ গ্রাম করে চাল দেওয়া হচ্ছিল। অন্য কোনও সামগ্রী বরাদ্দ নেই বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। গ্রাহক আলি আব্বাস, মানোয়ার হোসেনদের অভিযোগ, ওই রেশন ডিলার বরাবরই মাল কম দেন। এ দিন ক্ষোভে ফেটে পড়ে দীর্ঘক্ষণ রেশন বিলি বন্ধ করে দেন বাসিন্দারা। পরে অবশ্য সংশ্লিষ্ট মাঠপলশা পঞ্চায়েতের প্রধান অভিজিৎ সাহার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ডিলার সৌমেন মণ্ডল জানান, ভুল বোঝাবুঝির জেরেই ওই ঘটনা ঘটেছে। তাঁরা দু’সপ্তাহের চাল দিচ্ছিলেন বলে দাবি করেন ডিলার।

পাড়ুই

রেশন কম পাওয়ার অভিযোগ তুলে এ দিন বিক্ষোভ হয় বোলপুরের পাড়ুই থানার কসবাতেও। স্থানীয় একটি রেশন দোকানে এ দিন রেশন বিলি শুরু হওয়া মাত্রই গ্রাহকদের একাংশ রেশনে চাল ও আটা দেওয়ার পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন। তাঁদের অভিযোগ, ওই দোকান থেকে অন্ত্যোদয় অন্ন-যোজনা কার্ডহোল্ডারদের পরিবারপিছু ১৫ কেজি চালের বদলে এ দিন সাড়ে ৩ কেজি চাল, ২০ কেজি আটার পরিবর্তে এ দিন ৫ কেজি করে আটা, প্রায়োরিটি হাউসহোল্ড কার্ড পিছু ২ কেজি চাল ও ৩ কেজি আটার পরিবর্তে ৫০০ গ্রাম করে চাল ও সাড়ে ৭০০ করে আটা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই গ্রাহকেরা ওই ডিলারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। বিক্ষোভের জেরে কিছুক্ষণ বন্ধ হয়ে যায় রেশন বিলি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পাড়ুই থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পর ফের রেশন বিলি শুরু হয়। ডিলার সত্যনারায়ন রায় বলেন, ‘‘বিভিন্ন কার্ডের বিভিন্ন ভাগ রয়েছে। সেই অনুযায়ী চাল-আটা বিলি করা হয়। কিছু গ্রাহকের তা বুঝতে অসুবিধা হয়, তাই এখানে সমস্যা দেখা দেয়। যদিও ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোথাও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।’’

মুরারই

মুরারই ২ ব্লকের ধানগড়া গ্রামেও পরিমাণে কম রেশন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। গ্রাহকদের অভিযোগ, রেশন ডিলার আব্দুল মান্নান এ দিন ২ কেজি চালের পরিবর্তে ১৭০০ গ্রাম করে চাল দিচ্ছিলেন। প্রতিবাদে রেশন না নিয়ে বিক্ষোভ দেখান গ্রাহকরা। মুরারই গ্রামে ব্লক প্রশাসন বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করলে বিকেলের পর থেকে নির্ধারিত মাপেই জিনিসপত্র দেওয়া শুরু করেন রেশন ডিলার।

রাজনগর

রেশনে প্রাপ্য সামগ্রীর থেকে কম জিনিস দিচ্ছিলেন রেশন ডিলার, এমন একটি অভিযোগ উঠেছিল রাজনগরের গুলালগাছিতে। বুধবার তা নিয়ে ক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামের মানুষ। ঘটনাস্থালে পুলিশ পৌঁছনোর পর পরিস্থিতি বদলায়।

Coronavirus Health Coronavirus Lockdown
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy