লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে এক মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাস্তা কেটে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার সকাল সাতটা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে হুগলির গোঘাট ২ ব্লক অফিস সংলগ্ন জেলা পরিষদের অধীন মোরাম রাস্তায়। ঘটনাস্থলের কাছেই দুই মেদিনীপুরের সঙ্গে যোগাযোগের মূল রাস্তা ক্ষীরপাই রোডও অবরোধ করে রাখে উত্তেজিত জনতা। পরে রাস্তা চওড়া করার দাবি তুলে বিক্ষোভ চলে বিডিও অফিসেও। স্থানীয় মানুষের দাবি নিয়ে ব্লক প্রশাসন বৈঠকের আশ্বস দিলে ঘণ্টা দেড়েক পর অবরোধ ওঠে। পুলিশ জানায় মৃত মহিলার নাম পূর্ণিমা নন্দী (২৮)। তাঁর শ্বশুরবাড়ি বাঁকুড়ার কোতলপুর থানার প্রতাপপুরে। তিনি বাপের বাড়ি, গোঘাটের মান্দারন গ্রামে পুজো দেখতে এসেছিলেন। এ দিন বাড়ি ফেরার বাস ধরার জন্য আত্মীয়ের মোটর সাইকেলে চেপে কামারপুকুর চটিতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে্ পুলিশ। লরিটি আটক করা হয়েছে। চালক পলাতক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলা পরিষদের ওই মোরাম রাস্তাটি আট ফুট চওড়া। দুই আরোহী সহ মোটর বাইকটি সামনে আসা লরিটিকে পাশ দেওয়ার সময় মোরামে পিছলে গেলে পূর্ণিমাদেবী মোটর সাইকেল থেকে রাস্তায় পড়ে যান। লরির চাকা তাঁকে পিষে দেয়। স্থানীয় লোকজন মহিলাকে আরামবাগ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, রাস্তাটি ১৪ ফুট চওড়া করার কথা ছিল। কিন্তু তা ৮ ফুটের হয়েছে। ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে। এদিন বিকালে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে বৈঠকের পর গোঘাট ২-এর বিডিও শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘বিষয়টি জেলা পরিষদকে জানানো হয়েছে। জেলা পরিষদ রাস্তাটি আরও ৬ ফুট চওড়া করা যায় কি না বিবেচনা করছে।’’