Advertisement
E-Paper

বদলে যাচ্ছে মূল্যায়ন সূচক

যে পরীক্ষায় বেশি নম্বর পায়, সেই-ই তো ভাল ছেলে। এতদিন পর্যন্ত একজন পড়ুয়াকে মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে এই সূচকটিকেই গুরুত্ব দিয়ে এসেছে স্কুলগুলি। মুখে সার্বিক মূল্যায়নের কথা বলা হলেও, যে পড়ুয়াটি আঁকায় দক্ষ কিংবা ভাল গান করে, কবিতা আবৃত্তি করে বা নাটকে পারদর্শী অথবা দুর্দান্ত খেলাধূলায় তার জন্য সার্বিক মূল্যায়নে তেমন কোনও গুরুত্ব ছিল না।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০১৫ ০২:২১

যে পরীক্ষায় বেশি নম্বর পায়, সেই-ই তো ভাল ছেলে। এতদিন পর্যন্ত একজন পড়ুয়াকে মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে এই সূচকটিকেই গুরুত্ব দিয়ে এসেছে স্কুলগুলি। মুখে সার্বিক মূল্যায়নের কথা বলা হলেও, যে পড়ুয়াটি আঁকায় দক্ষ কিংবা ভাল গান করে, কবিতা আবৃত্তি করে বা নাটকে পারদর্শী অথবা দুর্দান্ত খেলাধূলায় তার জন্য সার্বিক মূল্যায়নে তেমন কোনও গুরুত্ব ছিল না।

এবার তার বদল হতে চলেছে। একজন পড়ুয়ার সার্বিক মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি ও সহ পাঠ্যক্রমিক কার্যবলীকেও সমান গুরত্ব দেওয়া বা সমন্বয় সাধন করার কথা বলা হচ্ছে। নিরবিচ্ছিন্ন সার্বিক মূল্যায়ন শীর্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতিতে একজন পড়ুয়াকে এমনই মানদণ্ডে যাচাই করা হবে সামনের সেশন থেকে।

সর্বশিক্ষা মিশনের আওতায় গবেষণামূলক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করার আগে তাই শিক্ষকদের প্রশিক্ষিত করার ব্যবস্থা হয়েছে। তেমনই একটি তিনদিনের প্রশিক্ষন শিবির হয়ে গেল খয়রাশোলের পাঁচড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। অংশ নিলেন খয়রাশোল ব্লকের নিম্ন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক মিলেয়ে মোট ২৭টি স্কুলের বিজ্ঞান শাখার ৭০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা। বুধবারই প্রশিক্ষনের শেষ দিন ছিল। যাঁরা অন্যন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষন দিলেন তাঁদের বেশ কয়েকজন আগেই জেলা থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে এসেছেন। জেলায় জেলায় এমন প্রশিক্ষন শিবির হবে। যাঁরা প্রশিক্ষনের দায়িত্বে ছিলেন তেমন একজন রিসোর্স পার্সন বা শিক্ষক কল্যাণ দে, কি রিসোর্স পার্সেন শিবদাস গড়াইরা বলেন, ‘‘নিরবচ্ছিন্ন সার্বিক মূল্যায়ন বা ECE/ কনটিনিউয়াস কমপ্রিহেনসিভ ইভ্যালুয়েশন) যে মডেল অনুসরণ করে মূল্যায়নের সূচক নির্ধারিত হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে পিকক/peacock।

Advertisement

ক্লাস ফাইভ থেকে এইট পর্যন্ত পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে বছরে যে দুটি মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু রয়েছে এবার সেখানে পিকক কার্ডে মূল্যায়ন করা হবে। পাঁচটি সূচক থাকবে সেখানে। সেখানেই একজন পড়ুয়ার পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যবলীকে গুরুত্ব বা সমন্বয় করা হবে।’’ পাঁচটি সূচক হল, পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ, প্রশ্নকরা ও অনুসন্ধানে আগ্রহ, ব্যাখ্যা ও প্রয়োগের সামর্থ, সমানুভূতি ও সহযোগিতা এবং নান্দনিকতা ও সৃজনশীলতার প্রকাশ।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy