রাজ্যে কোনও সমবায়ের মাথায় সরাসরি কোনও বিধায়ক বা রাজনৈতিক ব্যক্তি বসতে পারবেন না বলে রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া শুক্রবার জানালেন। মন্ত্রীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশেই সমবায়গুলি রাজনীতির নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। সমবায়মন্ত্রী বলেন, ‘‘চাষির দুঃখ চাষিই বুঝবেন। তাই বাইরের রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেখানে থাকবেন না।’’
তৃণমূলের নাম না করে সমবায়মন্ত্রীর এ দিনের অভিযোগ, গত পনেরো বছরে সমবায়গুলি ব্যাঙ্ক ঋণ ফেরত না দেওয়া, ঋণ ফেরতের নামে সমবায়ের সম্পত্তি বিক্রির মতো নানা দুর্নীতিতে জড়িয়েছে। হুঁশিয়ারির সুরে মন্ত্রী বলেছেন, ‘‘সমবায়গুলিতে লুট চলেছে। যাঁরা দুর্নীতি করেছেন তাঁদের বলছি সরকারের টাকা, গরিব মানুষের টাকা ফেরত দিন। না হলে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
পাশাপাশি, এক কোটি থেকে সর্বোচ্চ অঙ্কের মূল্যের সব দুর্নীতির অডিট করার নির্দেশ মন্ত্রী দিয়েছেন। সমবায়গুলিকে লাভ দিতে ১৬টি প্রকল্পের তালিকাও এ দিন প্রকাশ হয়েছে।
দফতরের ভার নেওয়ার পরে আধিকারিকদের সঙ্গে এ দিন প্রথম বৈঠক করেন মন্ত্রী। অতিরিক্ত মুখ্য সচিব কৃষ্ণ গুপ্ত বলেন, ‘‘দুর্নীতির প্রশ্নে কাউকে রেয়াত করা হবে না বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কী কী প্রকল্পের লাভ এখানকার চাষিরা পেতে পারেন, তা দেখা হচ্ছে।’’
সমবায় সার্ভিস কমিশনে নিয়োগের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতার প্রসঙ্গ এ দিন উঠে আসে। আধিকারিকেরা জানান, তিন বছর কোনও নিয়োগ হয়নি। স্বচ্ছতা আনতে নিয়োগ ব্যবস্থা তথ্য প্রযুক্তি এবং এআই দ্বারা পরিচালনা করা হবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)