E-Paper

‘প্রতিহিংসা’র শিকার অভিষেক, বলছে দল

গত কয়েক বছরে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি নানা মামলায় তদন্ত করছে অভিষেকের বিরুদ্ধে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ০৮:৪৪
অভিষেকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন মমতা। নিজস্ব চিত্র

অভিষেকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন মমতা। নিজস্ব চিত্র

‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ থেকেই বিজেপি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করছে বলে অভিযোগ করল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিষেকের বাড়িতে শনিবার পুলিশি তল্লাশির পরে দলের তরফে বলা হয়েছে, গভীর রাতে এই তল্লাশি চূড়ান্ত নিন্দনীয়। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা তল্লাশি শেষে পুলিশ চলে যাওয়ার পরে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিষেক নিজেও। সকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “যা জানার, তদন্তকারী সংস্থার কাছে জিজ্ঞেস করুন।” এ দিন তল্লাশি শেষে সিআইডি কিছু বাজেয়াপ্ত করেনি বলে দাবি তৃণমূলের।

গত কয়েক বছরে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি নানা মামলায় তদন্ত করছে অভিষেকের বিরুদ্ধে। সিবিআই এবং ইডির মতো সংস্থা বার বার জিজ্ঞাসাবাদও করেছে তাঁকে। রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পরে নানা মামলায় অভিষেক এখন সিআইডি ও পুলিশের তদন্তের মুখে রয়েছেন। এই অবস্থায় শুক্রবার শেষ রাতে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে যায় পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি থানার পুলিশ। একটি মামলার সূত্রে তারা অভিষেকের রাজনৈতিক সহকারী সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালায়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পুলিশের ভূমিকার নিন্দা করে তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মানসিক নির্যাতন। যে নেতারা আত্মসমর্পণ করতে রাজি নন, তাঁদের নিশানা করা হচ্ছে।’

তৃণমূলকে পাল্টা আক্রমণ করেছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজনীতি ও প্রশাসনের সকলেই জানেন, অভিষেকের পিএ সুমিত রায়ই সব চালাতেন। তিনিই ঠিক করতেন, কোন পুলিশ অফিসার কোথায় বদলি হবেন, কাকে কোথায় টাকা দিতে হবে। নিশ্চয়ই তিনি এমন কিছু করেছেন, টাকা তুলেছেন, যে কারণে এফআইআর হয়েছে।” দুর্নীতি নিয়ে অভিষেক আর মমতাকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীও। তিনি বলেন, “সব থেকে বড় চোর তো মমতা। সারদা থেকে চুরি শুরু করেছেন। দিদি রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজিয়ে নিপুণ ভাবে করেছেন, খোকাবাবু ডিজে বাজিয়ে চুরি করেছেন!”

অভিষেককে ঘিরে এ দিন নিজের অসন্তোষের কথা সামনে এনেছেন দলেরই আর এক বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “এই সুমিত কেন সামনে আসছেন না? কে তিনি? তাঁর নামে ফ্যান ক্লাব তৈরি হয়ে গিয়েছিল!” সেই সঙ্গে কুণাল বলেন, “অভিষেকও অনেক সময় আমাকে পছন্দ করেননি। আমাকে মনোনয়ন দিতে চায়নি ওঁর অফিস। কিন্তু শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে পেয়েছি! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

TMC

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy