Advertisement
E-Paper

মোহনবাগানের সহ-সভাপতির পদ ছেড়ে দিলেন কুণাল ঘোষ! ব্যক্তিগত কারণেই ইস্তফা, দাবি বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়কের

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে। তার প্রভাব প্রায় সর্বত্র পড়তে শুরু করেছে। ময়দানও তা থেকে বাদ নেই। এরই মধ্যে ‘ব্যক্তিগত কারণে’ মোহনবাগানের সহ-সভাপতিত্ব ছাড়লেন কুণাল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ১২:৪৩
বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। —ফাইল চিত্র।

মোহনবাগান ক্লাবের সহ-সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কুণাল ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে নিজেই এ কথা ঘোষণা করেন কুণাল। তিনি এখন তৃণমূলের বিধায়ক। কুণালের দাবি, ব্যক্তিগত কারণেই তিনি পদ ছেড়েছেন। এ বিষয়ে তাঁকে কেউ একটি কথাও বলেননি। তবে কেন ব্যক্তিগত কারণে তিনি আচমকা এই ইস্তফা দিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বস্তুত, তৃণমূল সরকারে আসার পর থেকে আইএফএ থেকে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের মতো ফুটবল ক্লাব, হকি এবং বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের লোকজন এবং তৃণমূলের নেতারা নিয়ন্ত্রকের জায়গায় উঠে এসেছিলেন। আইএফএ এবং ইস্টবেঙ্গলে অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের, মোহনবাগানে বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষদের সক্রিয়তা গত কয়েক বছর ধরে ময়দান দেখেছে। বাবুন শুধু মোহনবাগানেই নয়, অন্য ক্রীড়া সংস্থাতেও হর্তাকর্তা হয়ে উঠেছিলেন। যদিও কুণাল তাঁর গতিবিধি সীমিত রেখেছিলেন মোহনবাগানের মধ্যেই।

সেই কুণালই সোমবার মোহনবাগান ক্লাবের সভাপতি দেবাশিস দত্তের কাছে চিঠি দিয়ে নিজের ইস্তফার কথা জানিয়েছেন। ওই চিঠির বয়ানও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন কুণাল। সবুজ-মেরুন শিবিরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করে কুণাল লিখেছেন, “সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে সহ-সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। আমি মোহনবাগান সদস্য, সমর্থক হিসেবেই থাকব। দয়া করে ইস্তফা গ্রহণ করবেন।”

উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে মোহনবাগানের দু’পক্ষের লড়াই এমন জায়গায় গিয়েছিল যে, নির্বাচন হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। সেই দু’পক্ষের এক দিকে ছিলেন দেবাশিস দত্ত, অন্য দিকে ছিলেন ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বসু। সৃঞ্জয়ের পক্ষে ছিলেন কুণাল। আবার দেবাশিসের পক্ষে চলে গিয়েছিলেন সৃঞ্জয়ের ভাই সৌমিক বসু। মোহনবাগানকে কেন্দ্র করে বসু পরিবারের এই ফাটল আটকাতে অধুনাপ্রয়াত টুটু বসুকে সে সময় সাংবাদিক বৈঠকও করতে হয়েছিল। হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় যেখানে বেশ উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় মোহনবাগান সদস্য রয়েছেন, সেখানে দুই গোষ্ঠী সভা এবং পাল্টা সভাও শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হয়নি। ময়দানে এ কথা সর্বজনবিদিত যে মোহনবাগানের নির্বাচন রুখে দেওয়ার নেপথ্যে কাজ করেছিলেন তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব।

এখন রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে। তার প্রভাব প্রায় সর্বত্র পড়তে শুরু করেছে। ময়দানও তা থেকে বাদ নেই। সে কারণেই তৃণমূল বিধায়ক কুণাল মোহনবাগানের সহ-সভাপতি পদ ছেড়েছেন কি না, সে বিষয়ে কৌতূহল থাকছেই।

Kunal Ghosh Mohun Bagan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy