Advertisement
E-Paper

পদ ছেড়েছিলেন ২ দিন আগেই, শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন কাকলি, রয়েছেন তৃণমূলের ৩ জন বিধায়কও

তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। এ বার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কাকলি!

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ১১:৫৩
(বাঁ দিকে) শুভেন্দু অধিকারী। কাকলি ঘোষ দস্তিদার (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) শুভেন্দু অধিকারী। কাকলি ঘোষ দস্তিদার (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

আনুগত্যের ‘পুরস্কার’ পাওয়া নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। তার পর তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। এ বার ‘পরের ধাপ’। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে উপস্থিত বারাসতের প্রবীণ সাংসদ! শুধু তিনিই নন, উত্তর ২৪ পরগনার তিন তৃণমূল বিধায়কও রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে।

মঙ্গলবার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠক ছিল। এপিজে আব্দুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে উপস্থিত হন কাকলি। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দেগঙ্গার সদ্যনির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক আনিসুর রহমান বিদেশ, স্বরূপনগরের বীণা মণ্ডল এবং হাড়োয়ার আব্দুল মতিন। স্বাভাবিক ভাবেই কাকলিদের তৃণমূলত্যাগের জল্পনা তীব্র হয়েছে।

অবশ্য সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ঘোষণা করেছিলেন, প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে। বৈঠকে সকলেই আমন্ত্রণ পাবেন। বিজেপির সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই কাকলি-সহ তৃণমূলের প্রতিনিধিদের ডাকা হয়েছে। এখানে রাজনীতি নেই। একই কথা বলছেন তৃণমূল বিধায়কেরাও। বীণার কথায়, ‘‘আমি আমার বিধানসভা এলারকার উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক বৈঠকে এসেছি।’’ হাড়োয়ার বিধায়ক বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার ডেকেছে। তাই এসেছি। আগে কী হয়েছে, বলতে পারব না। বিধায়ক হিসাবেই এসেছি।’’ দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর বলেন, ‘‘আমার বিধানসভা এলাকার অধিকাংশই প্রান্তিক জায়গা। সার্বিক উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকারের সহযোগিতা কাম্য।’’

তবে শুভেন্দুর বৈঠকে কাকলির উপস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে ‘তাৎপর্যপূর্ণ’। সম্প্রতি কাকলিকে তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ওই দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু অভিমানী কাকলি সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, ‘‘৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।’’ ঘটনাক্রমে রবিবারই বারাসত সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। ফলে শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতিকে ইঙ্গিতবহ বলে মনে করা হচ্ছে।

শুভেন্দুর বৈঠকে যোগদান নিয়ে কাকলি একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, “প্রশাসন সবার।” অন্য দিকে, কাকলির চেয়েও শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে যাঁর উপস্থিতি তৃণমূল নেতৃত্বকে ‘অধিক বিস্মিত’ করেছে, তিনি বিদেশ।

Kakoli Ghosh Dastidar Suvendu Adhikari
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy