E-Paper

কেন্দ্রের মতো ১০০ দিনের লক্ষ্যমাত্রা রাজ্যেও

অতীতে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারও প্রথম ১০০ দিনে কাজের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। প্রকাশ করা হয়েছিল তার শ্বেতপত্র। এ রাজ্যে সরকার গঠন করে সব দফতরকে তেমন প্রস্তুতি নেওয়ারই বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ০৮:১৬

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

কেন্দ্রের ঘরানাতেই ১০০ দিনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সরকারের শীর্ষমহল আধিকারিকদের জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের প্রচারে যে ‘সংকল্প পত্র’ প্রকাশ করেছিল বিজেপি, তার সব প্রতিশ্রুতি কার্যকর করা হবে। ‘বিধায়ককেন্দ্রিক’ ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যার সমাধানের কৌশলও নেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মাথায় মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল আধিকারিক মহলকে বার্তা দিয়েছেন, প্রশাসনকে স্বচ্ছ, গতিশীল এবং দুর্নীতিমুক্ত করাই লক্ষ্য। আইন-বিধি মেনে কাজ না করলে যে কোনও আধিকারিককে কড়া পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে।

অতীতে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারও প্রথম ১০০ দিনে কাজের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। প্রকাশ করা হয়েছিল তার শ্বেতপত্র। এ রাজ্যে সরকার গঠন করে সব দফতরকে তেমন প্রস্তুতি নেওয়ারই বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে খবর। জেলা কর্তাদের এখন দায়িত্ব প্রত্যেক বিধায়ককে সঙ্গে রেখে স্থানীয় সমস‍্যা মেটানোর কাজ শুরু করা। তাতে সেই স্তরে মানুষের চাহিদা-প্রত্যাশার অনেকটাই মেটানো সম্ভব। মুখ‍্যসচিব এ দিন জানিয়েছেন, সংকল্প পত্রে যে ঘোষণাগুলি হয়েছিল, সরকারের প্রথম ১০০ দিনে তা কার্যকর করার উপরেই জোর থাকবে। সংকল্প পত্র অনুযায়ী আয়ুষ্মান ভারত-সহ কেন্দ্রীয় সব প্রকল্প চালু করার বার্তা সোমবারই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, বিগত সরকারের আমলে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি চালু হয়েছিল। সেখানে মানুষের চাহিদা বুঝে তা মেটানোর লক্ষ্যে কাজ করার কথা ছিল প্রশাসনের। কিন্তু পাল্টা প্রশ্ন উঠেছিল, বিডিও, এসডিও বা জেলাশাসকের কার্যালয়ের সক্রিয়তা নিয়ে। প্রতি বছরের এই কর্মসূচিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের হিসাবও প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। কারণ, তার পরেও এলাকায় এলাকায় বিভিন্ন পরিষেবা নিয়ে মানুষের অভিযোগ-অসন্তোষ দূর হয়নি। ফলে সমস্যা-চাহিদা মেটাতে বিধায়ককেন্দ্রিক ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধি তথা বিধায়কদেরও দায়িত্ব থাকবে।

অন‍্য দিকে এ দিনই মুখ্য‍সচিব জানিয়েছেন, প্রশাসন পরিচালিত হবে স্বচ্ছতা, দুর্নীতিমুক্ত এবং দায়বদ্ধতার সঙ্গে। তাতে কোনও বিচ‍্যুতি ধরা পড়লে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, সোমবার প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীও জানান, কাজের প্রতি প্রত‍্যেক আধিকারিকের দায়বদ্ধতাও নজরে থাকবে। কারণ, বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন অসাধু কাজে আধিকারিকদের একাংশের যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছিল। অভিজ্ঞদের একাংশের ধারণা, অতীতে তেমন নানা কাজকর্মের ‘ফাইল’ খুলতে পারে এই সরকার।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

100 Days Work West Bengal government

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy