ঘোলায় দুই সিভিক পুলিশকর্মীকে মারধরের অভিযোগে ধৃত তৃণমূল ছাত্রনেতা অশোক মল্লিককে চার দিনের জন্য পুলিশ-হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল আদালত। শনিবার দুপুরে তাঁকে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে হাজির করা হয়। ঘোলা থানার দুই সিভিক পুলিশকে মারধর এবং চাকরি কেড়ে নেওয়ার হুমকি দিয়ে হাঙ্গামা বাধানোর অভিযোগ উঠেছে অশোকবাবুর বিরুদ্ধে। তবে আর এক অভিযুক্ত এলাকার নাগরিক কমিটির সম্পাদক তথা তৃণমূলের পূর্ব পানিহাটির সভাপতি সম্রাট চক্রবর্তীকে এখনও গ্রেফতারই করেনি পুলিশ। এই ঘটনার পরে এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে।
ঘোলায় পুলিশের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। মাস তিনেক আগে একটি পানশালার সামনে উত্তরবঙ্গের এক পুলিশ কর্তার ছেলে ও তার সঙ্গীদের হাতে নিগৃহীত হতে হয় এক সাব-ইনস্পেক্টর-সহ পুলিশ কর্মীদের। উর্দিধারী ওই পুলিশদেরও চাকরি কেড়ে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। মদ্যপ অবস্থায় পুলিশ কর্তার ছেলেরা এই কাণ্ড করেছে বলে পুলিশের অভিযোগ। তবে পুলিশেরই একটা অংশ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগণার পর্যবেক্ষক তথা স্থানীয় বিধায়ক নির্মল ঘোষও বিষয়টি লঘু ঘটনা বলেই দাবি করছেন। তাঁর বক্তব্য, ‘‘যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল তাঁরা তো কিছু করেননি। নিজেদের ছোটখাটো কথাকাটাকাটি বা বিবাদ তো নিজেরাই মিটিয়ে নিচ্ছিলেন। পুলিশকে কেন হেনস্থা করবেন? সবটাই ভুল বোঝাবুঝির ফল।’’