Advertisement
E-Paper

ফের ধৃতদের জামিন খারিজ

পুলিশ হেফাজত থেকে আদালতে করানো হয়েছিল তাঁদের। করা হয়েছিল জামিনের আবেদনও। তবে জামিন পেলেন না সিজেএম নিগ্রহ কাণ্ডে ধৃত ডেকোরেটার মালিক দিব্যেন্দু সরকার এবং তাঁর সহকারি মীর মিমন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ০১:৩১
দাবি। সিউড়িতে ডিএম অফিসে।

দাবি। সিউড়িতে ডিএম অফিসে।

পুলিশ হেফাজত থেকে আদালতে করানো হয়েছিল তাঁদের। করা হয়েছিল জামিনের আবেদনও। তবে জামিন পেলেন না সিজেএম নিগ্রহ কাণ্ডে ধৃত ডেকোরেটার মালিক দিব্যেন্দু সরকার এবং তাঁর সহকারি মীর মিমন। শুক্রবার দু’জনেরই জামিনের আবেদন খারিজ আগামী ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হাজতে রাখার নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট ঋষি কুশারি।

গত রবিবার রাতে সিউড়িতে জেলা তৃণমূলের কার্যালয়ের একেবারে সামনে চাঁদার জুলুমের শিকার হন বীরভূমের মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়। চাঁদা আদায়ের নামে বিচারকের গাড়ি আটকে তাঁকে ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর ও হেনস্থা করেন সিউড়ির একটি ক্লাবের লোক জন। তাদের অনেকেই মদ্যপ ছিলেন বলে অভিযোগ। বিচারক নিগ্রহের ঘটনায় সোমবার পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন জেলা আদালতের আইনজীবী এবং ল’ক্লার্কস অ্যসোসিয়েশনের সদস্যেরা। তার পরেই ডেকোরেটার মালিক দিব্যেন্দু এবং তাঁর তিন সহকারিকে পুলিশ ধরে।

যদিও ক্লাব উদ্যোক্তাদের বাদ দিয়ে কেন স্কুল-কলেজের পড়ুয়া মণ্ডপ নির্মাণের দায়িত্বে থাকা লোক জনকে ধরা হল, এই প্রশ্ন তুলে প্রবল বিক্ষোভ দেখান ধৃতের পরিজন এবং এলাকাবাসী। কিন্তু, জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দিয়ে মঙ্গলবারই চার জনের মধ্যে দু’জনকে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। তার পরেই পরপর দু’দিনে পাঁচ ক্লাব সদস্যকে ধরে পুলিশ। পুলিশের পক্ষে দাবি ছিল, ধৃতদের জেরা করেই মিলেছে ঘটনায় জড়িতদের খোঁজ। যদিও তা মানতে চাননি এলাকাবাসী। শুক্রবারও জেলা প্রশাসন ভবনের বাইরে নিরীহদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে পোস্টার দেন তাঁরা। এ দিন ধৃতদের পক্ষে জেলা লিগাল সেলের আইনজীবী মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের আবেদন করছিলেন। বিচারক তা গ্রাহ্য করেননি।

Advertisement
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy