Advertisement
E-Paper

নেপালে ভোটের আগে ভাঙন বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে! প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল দুই তরুণ নেতার

গগন এবং বিশ্বপ্রকাশ দু’জনেই নেপালের প্রাক্তন মন্ত্রী। গত সেপ্টেম্বরে নেপালের জেন জ়ির আন্দোলনের সমর্থক হিসেবে তাঁরা পরিচিত। তাঁরাই এ বার দলের অভ্যন্তরে অভ্যুত্থান ঘটালেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:২৮
(বাঁদিক থেকে) বিশ্বপ্রকাশ শর্মা, শেরবাহাদুর দেউবা এবং গগন থাপা।

(বাঁদিক থেকে) বিশ্বপ্রকাশ শর্মা, শেরবাহাদুর দেউবা এবং গগন থাপা। —ফাইল চিত্র।

চার মাস আগে তরুণ প্রজন্মের প্রবল বিক্ষোভের জেরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন কমিউনিস্ট পার্ট অফ নেপাল (ইউএমএল)-এর প্রধান কেপি শর্মা ওলি। বুধবার সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা প্রাচীনতম এবং বৃহত্তম রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেসের প্রধান শেরবাহাদুর দেউবা ক্ষমতার লড়াইয়ে হেরে গেলেন তরুণ প্রজন্মের দুই নেতার কাছে।

নেপালি কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক গগন থাপা এবং মুখপাত্র বিশ্বপ্রকাশ শর্মা বুধবার দলের ‘সাধারণ পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদনের ভিত্তিতে’ সভাপতি পদ থেকে দেউবাকে সরিয়ে দিয়েছেন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ৪৯ বছরের গগনকে। আগামী ৫ মার্চ নেপালের পার্লামেন্টের ভোট। তার আগে নেপালি কংগ্রেসের এই ভাঙন সিপিএম (ইউএমএল) এবং আর এক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহাল ওরফে প্রচণ্ডের দল নেপালি কমিউনিস্ট পার্টি বা এনসিপিকে সুবিধা দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। প্রসঙ্গত, নব্বইয়ের দশকে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল নেপালি কংগ্রেসের।

গগন এবং বিশ্বপ্রকাশ দু’জনেই নেপালের প্রাক্তন মন্ত্রী। গত সেপ্টেম্বরে নেপালের জেন জ়ি-র আন্দোলনের সমর্থক হিসেবে তাঁরা পরিচিত। সেই আন্দোলনের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য দেউবার কাছে দলের শীর্ষপদ ছাড়ার এবং পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার আবেদন জানিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু গত ১১-১২ জানুয়ারি কাঠমান্ডুতে সাধারণ পরিষদের সভায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেউবা তরুণ প্রজন্মের নেতাদের সেই দাবিতে কর্ণপাত না করায় নেপালি কংগ্রেসে ভাঙন অনিবার্য হয়ে উঠল। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে দেউবা শিবির গগন, বিশ্বপ্রকাশ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারমুল্লা মনসুরকে বহিষ্কার করেছে। প্রসঙ্গত, সেপ্টেম্বরের সেই অশান্ত গণবিক্ষোভ-পর্বে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ওলির পাশাপাশি তৎকালীন বিরোধী দলনেতা দেউবাও আন্দোলনকারীদের নিশানা হয়েছিলেন। গগন বুধবার অভিযোগ করেন, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে যুব আন্দোলন দমনে সে সময় ওলিকে মদত জুগিয়েছিলেন দেউবা এবং তাঁর সঙ্গীরা।

Nepal Unrest Nepali Congress Sher Bahadur Deuba
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy