ইরানের উপরে চাপ বাড়িয়ে পশ্চিম এশিয়ার জলসীমায় পৌঁছল আমেরিকার বিশাল নৌবহর। যার পর থেকে ওই এলাকায় উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কারণ তাদের উপরে কোনও ধরনের আক্রমণ হলেই তা যু্দ্ধ পরিস্থিতি বলে বিবেচিত হবে বলেই আগেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিল তেহরান। তবে গত কালই হোয়াইট হাউসের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছিলেন, ইরান চাইলে আলোচনার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন রাজি।
গত সপ্তাহে দাভোস থেকে আমেরিকা ফেরার পথে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন তেহরানের উপরে খুব কাছ থেকে নজর রাখার জন্য পশ্চিম এশিয়ার উপকূলে বিশাল নৌবহর পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ইরানের সাম্প্রতিক অশান্তি এবং আন্দোলনকারীদের উপরে দমন-পীড়ন নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিলেন ট্রাম্প। বিক্ষোভকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, তেহরান অবিলম্বে দমন-পীড়ন বন্ধ না করলে তার ফল ভাল হবে না। কমপক্ষে ৮০০ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখার কথা ইরান জানানোর পরে সুর নরম করে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, ইতিমধ্যেই সে দেশে অন্তত ৬ হাজার বিক্ষোভকারীর প্রাণ গিয়েছে।
আমেরিকান সেনা বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড গত কাল এক্স-এ একটি পোস্টে জানিয়েছে, ভারতীয় সময় মধ্যরাতে পশ্চিম এশিয়ার উপকূলে পৌঁছেছে তাদের ‘কেরিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ থ্রি’। যার মধ্যে অন্যতম পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম যুদ্ধবিমান বহনকারী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। গত কালই যদিও ইরানের সঙ্গে আলোচনার বার্তা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওয়াশিংটনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ইরান চাইলে তাঁরা আলোচনায় প্রস্তুত। আলোচনার শর্ত? ওই কর্তার কথায়, ‘‘আমার মনে হয় ওরা (ইরান সরকার) সেটা খুব ভাল করেই জানে।’’ সংবাদ সংস্থা
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)