Advertisement
E-Paper

হাদি খুনের ঘটনায় এনআইএ-র আর্জি মেনে নিল দিল্লির আদালত, অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশিকে ১১ দিনের হেফাজত

হাদির খুনে বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে ফয়সাল এবং আলমগীরকে ‘মূল অভিযুক্ত’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। তাঁরা ধরা পড়েন বনগাঁয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ২৩:০৭
বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি।

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি। —ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তথা জনপ্রিয় ছাত্রনেতা ওসমান হাদির খুনের ঘটনায় ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) আর্জি মেনে নিল দিল্লির আদালত। ধৃত দুই বাংলাদেশি নাগরিককে ১১ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। বনগাঁ থেকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ-এর হাতে তাঁরা ধরা পড়েছিলেন।

ধৃতেরা হলেন ৩৭ বছরের ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল এবং ৩৪ বছরের আলমগীর হোসেন। ফয়সাল পটুয়াখালি এবং আলমগীর ঢাকার বাসিন্দা। গত ৭ মার্চ গভীর রাতে বনগাঁর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। অভিযোগ, বনগাঁ হয়ে তাঁরা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টায় ছিলেন। গ্রেফতারির পর গত ২৩ মার্চ সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে এই দুই অভিযুক্তকে দিল্লিতে নিয়ে যায় এনআইএ। ২৪ তারিখ তাঁদের আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। সরকারি আইনজীবী দু’জনের এনআইএ হেফাজতের আবেদন করেন। জানান, হাদি হত্যার সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র জানতে দুই অভিযুক্তকে বিশদে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তার জন্য সময় লাগবে। বৃহস্পতিবার আদালত তদন্তকারী সংস্থার আবেদন মেনে নিয়েছে।

ফয়সাল এবং আলমগীরকে গ্রেফতার করার পর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ একটি বিবৃতি জারি করেছিল। তাতে বলা হয়, মেঘালয়ের সীমান্ত দিয়ে তাঁরা ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। তার পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন। শেষে বনগাঁয় আসেন এবং সেখান থেকেই বাংলাদেশে ফের প্রবেশের পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁদের ডেরায় হানা দেয়। ভেস্তে যায় পরিকল্পনা। ফয়সালদের জেরার মাধ্যমে এক দালালকেও গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। ফিলিপ সাংমা নামের ওই দালালের সাহায্যেই দুই অভিযুক্ত ভারতে ঢুকতে পেরেছিলেন বলে অভিযোগ। আপাতত তিনি রাজ্য পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা ছিলেন হাদি। গত ডিসেম্বরে প্রকাশ্য জনসভায় তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়। পরে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল। ইনকিলাব মঞ্চের সমর্থকেরা দিকে দিকে বিক্ষোভ দেখান। এমনকি, বাংলাদেশের প্রথম সারির দুই সংবাদপত্রের দফতর, সংস্কৃতিকেন্দ্র ছায়ানটে হামলা হয়। নির্বিচারে চলে ভাঙচুর। হাদি-খুনে বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে ফয়সাল এবং আলমগীরকে ‘মূল অভিযুক্ত’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।

Osman Hadi Bangladesh NIA Delhi dhaka
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy