Advertisement
E-Paper

ভোটের আগে বাংলাদেশে ফের এক যুবককে খুনের অভিযোগ! উদ্ধার হাত-পা বাঁধা লাশ, শরীরে একাধিক গভীর ক্ষত

পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার রাত থেকেই রতনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এক দিন পরে, বুধবার তাঁর হাত-পা বাঁধা দেহ উদ্ধার হয়। রতনের দেহে একাধিক ক্ষতচিহ্ন রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫৫
বাংলাদেশের মৌলভীবাজারে উদ্ধার হয় যুবকের দেহ।

বাংলাদেশের মৌলভীবাজারে উদ্ধার হয় যুবকের দেহ। — প্রতীকী চিত্র।

বাংলাদেশের মৌলভীবাজারে চা বাগান থেকে উদ্ধার হল এক যুবকের হাত-পা বাঁধা দেহ। নিহতদের নাম রতন শুভ কর। ২৮ বছর বয়সি ওই যুবকের শরীরে একাধিক গভীর ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। কে বা কারা তাঁকে খুন করেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা (ভারতীয় সময়ে) থেকে বাংলাদেশে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। তার আগে থেকেই সে দেশে বিক্ষিপ্ত অশান্তি এবং গোলমালের খবর মিলতে শুরু করেছে। বুধবার থেকেই কোথাও ভোটকেন্দ্রের কাছে বোমাবাজি, কোথাও রাজনীতিকদের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠে এসেছে। কুপিয়ে জখম করার অভিযোগও উঠেছে। এ অবস্থায় নির্বাচনের আগের দিন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ এলাকা থেকে উদ্ধার হল যুবকের ক্ষতবিক্ষত দেহ। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে নির্বাচন-কেন্দ্রিক গোলমালের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জানা যাচ্ছে, নিহত যুবক কমলগঞ্জের এক চা বাগান শ্রমিকের পুত্র। তিনি নিজেও এক চা বাগান শ্রমিক। পরিবারের সদস্যদের দাবি, মঙ্গলবার রাত থেকেই রতনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বুধবার তাঁরা জানতে পারেন এক যুবকের হাত-পা বাঁধা লাশ পড়ে রয়েছে। সেই খবর পেয়েই তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছোন এবং রতনের দেহ শনাক্ত করেন। পরিবারের আরও দাবি, রতনের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল না। কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা-ও বুঝে উঠতে পারছেন না পরিবারের সদস্যেরা।

খবর পেয়ে বুধবারই ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় কমলগঞ্জ থানার পুলিশ। ওই থানার ওসি আব্দুল আউয়াল জানান, দেহটি উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বস্তুত, গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশি তরুণ নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে পড়শি দেশে বেশ কিছু হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উঠে এসেছে। ওই অশান্তির মাঝেই খুন হন ময়মনসিংহের যুবক দীপুচন্দ্র দাস। খুনের পর তাঁর দেহে আগুন ধরিয়ে দেন একদল উন্মত্ত জনতা। নির্বাচনের মুখে দীপুর পরিবারকে ৫০ লক্ষ টাকা (বাংলাদেশি মুদ্রায়) আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে দীপুর পরিবারের দাবি, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।

Bangladesh Election
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy