Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

হাতঘড়ির মতো আকারে নেহাতই ছোট। পরাও যাবে কব্জিতে। ফোনের কাজ হাতঘড়িতে সারা যাবে, তেমন স্মার্টওয়াচ তো আগেই এসে গিয়েছে বাজারে। কিন্তু এ বার হাত থেকে উড়ে যাবে আস্ত একটা ড্রোন। মানুষ যেখানে পৌঁছতে পারবে না, ড্রোন উড়ে গিয়ে সেখানকার ছবি তুলে আবার ফিরে আসবে নিজের ঠিকানায়। এমনই নতুন এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে এক দল গবেষক। তাঁদের এই উদ্ভাবন এনে দিয়েছে পুরস্কারও।

শেষ আপডেট: ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০২:২৯

এ বার কব্জিতেই ড্রোন

সংবাদ সংস্থা • সান ফ্রান্সিসকো

হাতঘড়ির মতো আকারে নেহাতই ছোট। পরাও যাবে কব্জিতে। ফোনের কাজ হাতঘড়িতে সারা যাবে, তেমন স্মার্টওয়াচ তো আগেই এসে গিয়েছে বাজারে। কিন্তু এ বার হাত থেকে উড়ে যাবে আস্ত একটা ড্রোন। মানুষ যেখানে পৌঁছতে পারবে না, ড্রোন উড়ে গিয়ে সেখানকার ছবি তুলে আবার ফিরে আসবে নিজের ঠিকানায়। এমনই নতুন এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে এক দল গবেষক। তাঁদের এই উদ্ভাবন এনে দিয়েছে পুরস্কারও। এক মার্কিন বহুজাতিক সংস্থা কিছু দিন আগেই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল। উদ্দেশ্য, পরা যাবে এমন নতুন প্রযুক্তির গবেষণায় উৎসাহ দেওয়া। স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ক্রিস্টোফ কোহ্স্টল ও গুগলের প্রাক্তন কর্মী জেলেনা জোভানোভিক-এর আবিষ্কার এই ড্রোনই জিতে নিয়েছে প্রথম পুরস্কার। কোহ্স্টলরা এর নাম দিয়েছেন নিক্সি। তাঁদের কথায়, হাল্কা ওজনের নিক্সি আকাশে গিয়ে এক চক্কর কেটে রীতিমতো উন্নত মানের (হাই ডেফিনিশন) ছবি তুলে আনবে খুব কম সময়ে। আর তার পর যন্ত্রের মধ্যে আগে থেকে রাখা প্রোগ্রামিং মেনে নিজেই ফিরে আসবে তার মালিকের হাতে। নতুন গবেষণায় পর্বতারোহীদের খুবই সুবিধে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নিক্সি এখনও গবেষণার স্তরেই। রোজকার জীবনে কতটা সঙ্গী হবে নতুন ড্রোন সেই প্রশ্নের উত্তর দেবে সময়ই।

স্টিভ জোবসের সৌধ সরলো

সংবাদ সংস্থা • মস্কো

দেখলে মনে হবে মস্ত বড় একটা আইফোন। লম্বায় ছ’ফুটেরও বেশি। আসলে অ্যাপল-স্রষ্টা স্টিভ জোবসের স্মৃতিসৌধ। পর্দা ছুঁয়ে দেখলেই ভেসে উঠবে জোবস সম্পর্কিত নানা তথ্য। সেন্ট পিটার্সবার্গ কলেজের সামনে সৌধটি বসানো হয়েছিল বছর দুয়েক আগে। কিন্তু গত শুক্রবার থেকে হঠাৎই উধাও সেটি। জানা গিয়েছে, ‘জেফস’ নামক যে সংগঠনটি বিশাল ওই আইফোনটিকে কলেজের সামনে বসিয়েছিল, তারাই উদ্যোগী হয়ে সৌধটিকে সরিয়ে নিয়েছে। কারণ, যাঁর স্মৃতির উদ্দেশে তা বানানো হয়েছিল, তাঁরই উত্তরসূরি টিম কুক নিজেকে সমকামী বলে দাবি করেছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, কলেজের সামনে এ হেন একটি সৌধ থাকা কিশোর-মনের পক্ষে ক্ষতিকারক। কী ভাবে? ওই সংগঠনের বক্তব্য, “অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সমকামী চিন্তাভাবনা বা অন্য কোনও ধরনের বিকৃতকাম প্রচার রাশিয়ায় বেআইনি। যে জায়গায় ওই সৌধটি বসানো ছিল, সেখানে অল্পবয়সি ছেলেমেয়েদের অবাধ যাতায়াত। টিম কুক নিজেকে সমকামী বলে দাবি করায় তাই রাতারাতি সেটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। না হলে রুশ আইন ভাঙা হবে।” পারিবারিক ভাবাবেগে আঘাত করতে পারে এমন কোনও প্রচার থেকে তরুণ প্রজন্মকে বাঁচাতে রাশিয়ায় বিশেষ আইন রয়েছে।

তরুণীর অনশন

সংবাদ সংস্থা • তেহরান

পুরুষদের সঙ্গে স্টেডিয়ামে বসে ভলিবল ম্যাচ দেখার ‘অপরাধে’ এক বছরের কারাবাস। ইরানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ সমাজকর্মী বছর পঁচিশের তরুণী ঘোঞ্চে ঘাভামিকে রবিবার এমন সাজাই দিয়েছে ইরানের আদালত। সংবাদমাধ্যম সূত্রে এ খবর প্রকাশ্যে এলেও এই সাজা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে আদালতের সিলমোহর মেলেনি। প্রতিবাদে নিজেই অনশনে বসেছেন ওই তরুণী। সাজা ঘোষণার আগেও তিন মাস জেল-পর্বে অনশন করেছিলেন কয়েক সপ্তাহ। বিচারব্যবস্থায় আস্থা ছিল না তাঁর। ঘোঞ্চের বিশ্বাসকে সত্যি প্রমাণ করেই রুদ্ধদ্বার শুনানি হয়েছে।


একা একা পথ চলা। দক্ষিণ জার্মানির স্টুটগার্টে। ছবি: এপি

brief story bidesh tukro
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy