কুয়েতের পরে এ বার সৌদি আরব। ফের মার্কিন দূতাবাসে চলল হামলা। সোমবার বেশি রাতের দিকে সৌদির রাজধানী রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা চলে। হামলার জেরে আগুন ধরে যায় দূতাবাসে। কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, পশ্চিম এশিয়ায় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীও সক্রিয় রয়েছে। যদিও আমেরিকার সন্দেহ ইরানই হামলা চালিয়েছে।
রিয়াধের দূতাবাসে হামলার ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই। সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানায়, অল্প কিছু অংশে আগুন ধরে যায়। কিছু জিনিসপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে বলে দাবি সৌদির। এই হামলার পর পরই খবর ছড়ায়, ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সও হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনার উপরে। এরবিল শহরে একটি হোটেলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরাকের ওই সশস্ত্র গোষ্ঠী। ওই হোটেলেই মার্কিন বাহিনী ছিল বলে জানাচ্ছে রয়টার্স।
পর পর এই দুই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে মুখ খুলেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “এর জবাব কী ভাবে দিতে হয়, তা এ বার দেখাব।” বস্তুত, গত শনিবার প্রাথমিক হামলার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার পর পরই প্রত্যাঘাত শুরু করে ইরান। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত জুড়ে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করতে থাকে তারা। এরই মধ্যে সোমবার কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটিতে মার্কিন দূতাবাসেও হামলা চলে। এ বার হামলা চলল রিয়াধের মার্কিন দূতাবাসেও।
আরও পড়ুন:
ঘটনাচক্রে, দু’দিন আগেই ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ সূত্র মারফত দাবি করে, সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনই আমেরিকার কাছে জোরাজুরি করছিলেন ইরানে হামলার জন্য। জানুয়ারিতে ট্রাম্পকে তিনি নিজে বেশ কয়েক বার ব্যক্তিগত ভাবে ফোনও করেন বলে জানানো হয় ওই প্রতিবেদনে। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ইরানে হামলা করা ছাড়া আর কোনও পথ খোলা নেই— এটাই বার বার আমেরিকাকে বোঝাতে চাইছিলেন সৌদির যুবরাজ। পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, গত শনিবার আমেরিকা-ইজ়রায়েল বনাম ইরানের সংঘর্ষের সময়ে ‘তৃতীয় পক্ষ’ হিসাবে প্রথম হামলা হয়েছিল সৌদিতেই।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
১৫:৫৬
‘আমেরিকা যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙেছে’, আবার হরমুজ় অবরোধের ঘোষণা ইরানের! নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা -
ট্রাম্পের ‘ঘাড়ে বন্দুক রেখে’ শত্রুদের খতম! পারস্যে শান্তি এলে আমেরিকার ‘বিশ্বাস’ ভাঙবেন ইহুদি প্রধানমন্ত্রী?
-
প্রথমে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর, ৬০ দিনেই ইরান-আমেরিকার চুক্তি পাকা হতে পারে! কোন কৌশলে এগোচ্ছে পাকিস্তান? নেপথ্যে কে
-
ইরান চুক্তি স্বাক্ষর করতে ট্রাম্প নিজে যেতে পারেন পাকিস্তানে! মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, প্রায় চূড়ান্তই হয়ে গিয়েছে বোঝাপড়া
-
ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করবে কি ইরান? ট্রাম্পের দাবি মানতে নারাজ তেহরান! জানাল, কোনও আলোচনাই হয়নি