পশ্চিম এশিয়ায় ফের হামলার মুখে পড়ল ব্রিটিশ বাহিনী। বাহরিনের পর এ বার সাইপ্রাসে। সোমবার সাইপ্রাসের আক্রোতিরিতে ব্রিটিশ বায়ুসেনার ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা হয়। রয়টার্স সূত্রে জানা যাচ্ছে, দু’টি ড্রোন হামলা চালিয়েছিল ইরান। তার মধ্যে একটি ধ্বংস করা গিয়েছে। অন্যটি রানওয়েতে আছড়ে পড়েছে। তবে সামরিক ঘাঁটিতে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নিয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করছেন না ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। তবে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ইয়েভেট কুপারের দাবি, ওই সামরিক ঘাঁটিটি আমেরিকা ব্যবহার করছে না।
বস্তুত, রবিবারই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার দাবি করেন, ইরানে প্রাথমিক হামলার সঙ্গে তাঁরা জড়িত ছিলেন না। পরবর্তী সময়ে মার্কিন সেনাকে শুধুমাত্র আত্মরক্ষামূলক উদ্দেশ্যেই কয়েকটি ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি স্টার্মারের। তবে কুপারের দাবি, সাইপ্রাসের এই সামরিক ঘাঁটিটি আমেরিকাকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ, এ বার সরাসরি ব্রিটিশ ঘাঁটিতেই হামলা চলল পশ্চিম এশিয়ায়।
এর আগে গত শনিবার বাহরিনে মার্কিন নৌসেনার ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল ইরান। আছড়ে পড়েছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন। জানা যাচ্ছে, ওই হামলাস্থল থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরেই ছিল ব্রিটিশ বাহিনী। পরে ইরাক এবং কাতারেও এমন বেশ কিছু আক্রমণ প্রতিহত করে ব্রিটেন। এরই মধ্যে স্টার্মার বলেন, “আমরা এই হামলায় যোগ দিচ্ছি না। তবে আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ চালিয়ে যাব।” স্টার্মারের এই বিবৃতির কয়েক ঘণ্টা পরেই সাইপ্রাসে আক্রান্ত হল ব্রিটিশ বায়ুসেনার ঘাঁটি।
আরও পড়ুন:
হামলার কথা স্বীকার করে নিলেও এ বিষয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে চাননি ব্রিটিশ বিদেশমন্ত্রী। তাঁর কথায়, এখনই এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করার মতো পরিস্থিতি নেই। পরবর্তী সময়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে সাইপ্রাসের ঘটনা প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানানো হবে। তবে সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বায়ুসেনার ওই ঘাঁটির চারপাশে নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।