Advertisement
E-Paper

সৌদিতে ব্যাপক অত্যাচার, মারা গেলেন ভারতের আসিমা খাতুন

নারী নির্যাতনের আরও একটি ঘটনা। পরিচারিকার কাজ করতে গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। হায়দরাবাদের বছর পঁচিশের যুবতী আসিমা খাতুন। সেখানে তাঁকে প্রচণ্ড মারধোর করা হয়। গায়ে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। শেষমেশ হাসপাতালে মারাই গেলেন আসিমা।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৯ মে ২০১৬ ১৮:২২

নারী নির্যাতনের আরও একটি ঘটনা।

রুটি-রুজির টানে ছুটতে গিয়েই মৃত্যু হল তাঁর।

পরিচারিকার কাজ করতে গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। হায়দরাবাদের বছর পঁচিশের যুবতী আসিমা খাতুন। সেখানে তাঁকে প্রচণ্ড মারধোর করা হয়। গায়ে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। শেষমেশ হাসপাতালে মারাই গেলেন আসিমা।

রোজগারের জন্য গত ডিসেম্বরে সৌদি আরবে পরিচারিকার কাজ করতে গিয়েছিলেন আসিমা। কিন্তু তাঁর ‘মালিক’ আবদুল রহমান আলি মহম্মদ তাঁকে কথায় কথায় পেটাতেন। গায়ে আগুনের ছ্যাঁকা লাগাতেন। তিল থেকেই তাল হয়ে যেত রোজ। ঘর বন্ধ করে রেখেও আসিমার ওপর চালানো হত নির্যাতন।

আসিমার মা ঘাউসিয়া খাতুন কাঁদতে কাঁদতে জানিয়েছেন, মেয়ে তাঁকে রিয়াধ থেকে টেলিফোন করে বেশ কয়েক বার জানিয়েছিলেন, তাঁর ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের কথা। আসিমাকে খেতে দেওয়া হত না। শুনেছি, কয়েক দিন আগে আমার মেয়ের গায়ে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়। যে বাড়িতে আসিমা কাজ করতেন, সেই বাড়ির প্রতিবেশীরা ক’দিন আগে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করান। সেই হাসপাতালেই মৃত্যু হয় আসিমার।

আরও পড়ুন- রাস্তায় কেউ গুলি চালাতেই পারে, বললেন নীতীশ

তাঁর পরিবারের লোকজন এখন আসিমার দেহটি দেশে ফিরিয়ে আনার জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

একেবারে শেষ মূহুর্তে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হয়েছিল আসিমাকে। তেলঙ্গানা সরকার অসীমাকে তড়িঘড়ি নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আর্জি জানিয়েছিল কেন্দ্রের কাছে। কিন্তু তার আগেই মৃত্যু হয় আসিমার।

Hyderabad Woman Dies After Alleged Torture By Saudi Employer
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy