Advertisement
E-Paper

খামেনেইয়ের মৃত্যুতে মাথা-বুক চাপড়ে কান্না ইরানে! প্রবাসীদের উচ্ছ্বাস আমেরিকায়, ট্রাম্পের দেশে যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভও

কোম, ইয়াসুজের মতো শহরে ইরানের পতাকা হাতে নিয়ে রাস্তায় বেরোন বহু মানুষ। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মাথা এবং বুক চাপড়ে কেঁদে শোকপ্রকাশ করছেন তাঁরা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ১৫:৪৯
খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর শোকপ্রকাশ করতে ইরানের রাস্তায় নামলেন বহু মানুষ।

খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর শোকপ্রকাশ করতে ইরানের রাস্তায় নামলেন বহু মানুষ। ছবি: রয়টার্স।

সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান ইরান। তেহরানের তরফে খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবরে সিলমোহর দেওয়ার পরেই ইরানের বিভিন্ন শহরে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন স্থানীয় মানুষজন। কোম, ইয়াসুজের মতো শহরে ইরানের পতাকা হাতে নিয়ে রাস্তায় বেরোন বহু মানুষ। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মাথা এবং বুক চাপড়ে কেঁদে শোকপ্রকাশ করছেন তাঁরা। (যদিও এই ভিডিয়োগুলির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)

যদিও আমেরিকায় বসবাসকারী ইরানের নাগরিকেরা খামেনেইয়ের মৃত্যুতে উচ্ছ্বাসপ্রকাশ করেছেন। আমেরিকায় লস অ্যাঞ্জেলস শহরে সবচেয়ে বেশি ইরানির বাস। সেখানে আমেরিকা এবং ইরানের পতাকা হাতে নিয়ে উৎসবে মাতেন অনেকে। তাঁদের মুখে ছিল ‘মেক ইরান, গ্রেট এগেন’ স্লোগান। অন্য দিকে, হোয়াইট হাউসের বাইরে এবং নিউ ইয়র্কের টাইম্স স্কোয়্যারের বাইরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান বেশ কয়েক জন।

‘আল জাজ়িরা’-র একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, খামেনেইয়ের মৃত্যুতে সামগ্রিক ভাবে ইরানে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। শোকের আবহেই বাসিন্দাদের একাংশ সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার মৃত্যুতে স্বস্তিপ্রকাশ করেছেন। গত ডিসেম্বরে খামেনেই প্রশাসনের কঠোর অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন ইরানের বহু মানুষ। পরে সেই বিক্ষোভ পুরোপুরি প্রশাসন-বিরোধী হয়ে ওঠে। খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে দমনপীড়নের মাধ্যমে বিক্ষোভ থামানোর চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে।

Advertisement

শনিবার সকাল থেকে ইরানে হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। পরে জানা যায়, তাদের সহায়তা করছে আমেরিকাও। যৌথ বাহিনীর প্রথম হামলাতেই খামেনেইয়ের মৃত্যু হয় বলে মনে করা হচ্ছে। তেহরান রবিবার সকালে জানিয়েছে, খামেনেই শনিবার ভোরে নিজের দফতরে ছিলেন। সেখানে যৌথ বাহিনীর হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর কন্যা, নাতনি, জামাইও মারা গিয়েছেন এই হামলায়। ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড কঠোর প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

সংক্ষেপে
  • ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
  • আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
  • শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
US Iran Ayatollah Ali Khamenei israel
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy